মনিরুল ইসলাম: বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেনায় গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্র মাঠে মাঠে খেলাধুলার উৎসব শুরু হয়েছে। মাদক, জুয়া ও নানা অনৈতিকতার বিষাক্ত ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কোনো বিকল্প নেই। এই উপলব্ধি থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার রাজধানী থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটিয়েছে।
তিনি আজ শুত্রুবার হালুয়াঘাটের দড়িনগুয়া ইট খোলা মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে তরুণ সমাজ উন্নত বিশ্বের মতো যাতে সম্মানজনক পেশা ও ক্যারিয়ার হিসেবেও বেছে নিতে পারে বর্তমান সরকার সেই উদ্যোগ নিয়েছে। যারা খেলাধুলায় প্রতিভাবান, তারা ক্রীড়াকে শুধু বিনোদন হিসেবে নয়, ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি কোচিং, রেফারিং, ফিটনেস, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা ও প্রশিক্ষণের মতো ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রতি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ, প্রতি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন ,আগামী বছর থেকে শিক্ষা পাঠ্যক্রমে ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা আমাদের নতুন প্রজন্মকে শুধু পরীক্ষামুখী নয়, শারীরিকভাবে সক্ষম, মানসিকভাবে সুস্থ এবং সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে। শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির সমন্বয়েই একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্রজন্ম তৈরি করা সম্ভব।
আমাদের যুবকদের শুধু চাকরির পেছনে ছুটলে হবে না; নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলতে হবে।
আজ দড়িনগুয়ার এই মাঠে যারা খেলছে, তাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হতে পারে। এজন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণদের প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও উপযুক্ত সুযোগ করে দিতে হবে।
হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাঈমুর আরিফিন পাপন, বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন, আব্দুল মোতালেব,সৈয়দুজ্জান, প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।