শিরোনাম
◈ মিরপুরে ‘চাঁদার জাঁতাকলে’ ব্যবসায়ীরা, এক গ্রুপের চাঁদা মিটলেই হাজির আরেক গ্রুপ ◈ ৫ ওভারে জাপানের রান তাড়া করে এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতের মেয়েরা ◈ ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ, নিজ স্বার্থ রক্ষায় ব্যবস্থা নেবে ভারত ◈ গোপন বৈঠক থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ ◈ হামের উপসর্গে ২ শিশুর প্রাণহানি, আক্রান্ত ১২৯৭ ◈ সার্ক পুনরুজ্জীবনে ভুটানের সমর্থন চায় বাংলাদেশ ◈ রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ, ফুটেজ দেখে দুর্বৃত্তদের খুঁজছে পুলিশ ◈ পাকিস্তানে পুলিশ লাইনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক ◈ মানুষের বিলুপ্তির কারণ হতে পারে এআই? গবেষকদের ৪ আশঙ্কা ◈ প্রার্থী কমাতে ইউপি নির্বাচনে কঠোর ইসি, বাড়ছে জামানত ও ব্যয়সীমা

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৬ বিকাল
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৫৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে সার কিনতে বস্তাপ্রতি ৫০০-৬০০ টাকা বেশি, ডিসির কাছে অভিযোগ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রতি বস্তা সারে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ডিলারদের বিরুদ্ধে। বেশি দামে বিক্রির পাশাপাশি কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী ক্যাশ মেমো না দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

​এ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে সার সরবরাহ স্বাভাবিক ও নির্ধারিত মূল্য নিশ্চিত করতে গত ৭ সেপ্টেম্বর দেওয়া ওই আবেদনে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি নিশ্চিত করতে সরেজমিন তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। আবেদনের সঙ্গে কৃষকদের নাম, মুঠোফোন নম্বর ও স্বাক্ষরসংবলিত একটি তালিকাও সংযুক্ত করা হয়েছে।

​লিখিত আবেদনে কৃষকেরা জানান, ফরিদপুর সদর উপজেলার চাঁদপুর, নগরকান্দা উপজেলার তালমা, মধুখালী উপজেলার জাহাপুর এবং বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর, দাদপুর ও ঘোষপুর ইউনিয়নসহ জেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা বেশি দামে সার বিক্রি হচ্ছে। এতে প্রতি বস্তায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে তাঁদের। মৌখিকভাবে জানানোর পরও কোনো প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা।

​অভিযোগে আরও বলা হয়, ডিলারদের কাছ থেকে সার ক্রয়ের সময় রসিদ বা ক্যাশ মেমো চাওয়া হলে তা দেওয়া হয় না। ক্যাশ মেমো না থাকায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রমাণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। এই দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বিক্রয় ও স্টক রেজিস্টারের পাশাপাশি ক্যাশ মেমো সরেজমিনে যাচাইয়ের দাবি তুলেছেন কৃষকেরা।

​কৃষকদের মতে, কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বর্তমানে উৎপাদন খরচ এমনিতেই অনেক বেশি। এর ওপর ভর্তুকির সার বেশি দামে কিনতে হলে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা তীব্র আর্থিক সংকটে পড়বেন। উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

  • সর্বশেষ