শিরোনাম
◈ ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ, নিজ স্বার্থ রক্ষায় ব্যবস্থা নেবে ভারত ◈ গোপন বৈঠক থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ ◈ হামের উপসর্গে ২ শিশুর প্রাণহানি, আক্রান্ত ১২৯৭ ◈ সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সহযোগিতা চাইলেন দুই মন্ত্রী ◈ রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ, ফুটেজ দেখে দুর্বৃত্তদের খুঁজছে পুলিশ ◈ পাকিস্তানে পুলিশ লাইনে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক ◈ মানুষের বিলুপ্তির কারণ হতে পারে এআই? গবেষকদের ৪ আশঙ্কা ◈ প্রার্থী কমাতে ইউপি নির্বাচনে কঠোর ইসি, বাড়ছে জামানত ও ব্যয়সীমা ◈ তিতাস-বাখরাবাদের ৫ কূপে বাড়বে গ্যাস সরবরাহ, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট ◈ আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, ১০ মাসে সর্বনিম্ন

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৪৬ বিকাল
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:১৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিকল রোবট মেরামতে জাপানে চালু হচ্ছে ‘হিউম্যানয়েড অ্যাম্বুলেন্স’

প্রযুক্তির অগ্রগতিতে হিউম্যানয়েড রোবটের ব্যবহারের পরিসর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে এসব রোবটের ত্রুটি ও জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিকল রোবটকে ঘটনাস্থলেই দ্রুত মেরামতের জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়েছে জাপান। দেশটির প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জিএমও এআই অ্যান্ড রোবটিক্স ট্রেডিং (জিএমও এআইআর) গত ৮ সেপ্টেম্বর টোকিওতে হিউম্যানয়েড রোবটের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ‘জিএমও হিউম্যানয়েড অ্যাম্বুলেন্স’ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, হিউম্যানয়েড রোবটের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিশেষভাবে নকশা করা এমন জরুরি সেবা জাপানে প্রথম।

জিএমও হিউম্যানয়েড অ্যাম্বুলেন্স খুব শিগগিরই টোকিওর সড়কে চলাচল শুরু করবে। তবে এটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত কোনো জরুরি সেবা নয়। বর্তমানে শুধু জিএমও এআইআর-এর মাধ্যমে স্থাপন বা সরবরাহ করা হিউম্যানয়েড রোবটের ক্ষেত্রেই সেবাটি প্রযোজ্য এবং কোনও রোবট বিকল হলে তার ত্রুটির ধরন ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে অ্যাম্বুলেন্সটি ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে। বর্তমানে টোকিওতে প্রতিষ্ঠানটির সদর দফতরে রয়েছে মাত্র একটি অ্যাম্বুলেন্স।

ভ্যানটিতে হিউম্যানয়েড রোবটের অভ্যন্তরীণ সমস্যা শনাক্তের জন্য সকল ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও মেরামতের টুল রাখা হয়েছে। সঙ্গে থাকবেন জিএমও এআইআর-এর হিউম্যানয়েড প্রকৌশলী, যারা প্রতিষ্ঠানটির ‘জিএমও হিউম্যানয়েড ল্যাব শিবুয়া শোরুমে’ রোবটের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে যুক্ত। ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেগুলো রোবটের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ত্রুটি শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক মেরামতের চেষ্টা করবে। মেরামতের পর ব্যালান্স জাইরো ও মোশন কন্ট্রোলার পুনরায় সমন্বয় করে রোবটটি নিরাপদে চলাচল করতে পারছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা হবে।

ঘটনাস্থলে মেরামত সম্ভব না হলে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা বিকল্প হিউম্যানয়েড রোবটটি ক্ষতিগ্রস্ত রোবটের জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হবে। পরে বিকল রোবটটি টোকিওর শিবুয়াতে জিএমও-এর মেরামতকেন্দ্রে নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কর্মক্ষেত্র বা বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যবহারের সময় কোনো হিউম্যানয়েড রোবট বিকল হলে সেটি মেরামতকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হয়। এতে রোবটটি মেরামত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কাজ বা সেবা বন্ধ রাখতে হয়। এই সময় কমিয়ে রোবটকে দ্রুত কাজে ফিরিয়ে আনতেই ঘটনাস্থলে মেরামতের সুবিধাসহ এই অ্যাম্বুলেন্স চালু করা হয়েছে।

অ্যাম্বুলেন্সটির নকশা করেছেন জাপানি ডিজাইনার ইয়াসুমিচি মরিতা ও তার প্রতিষ্ঠান গ্ল্যামারাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জরুরি সেবার যানবাহন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে তিনি অ্যাম্বুলেন্সটির নকশা করেছেন। এর বাইরের অংশে ছাদের ওপর বেগুনি রঙের লাইটবার এবং ‘হিউম্যানয়েড অ্যাম্বুলেন্স’ লেখা রয়েছে।

জিএমও এআইআর- এর প্রধান নির্বাহী তোমোহিরো উচিদা বলেন, হিউম্যানয়েড রোবট ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলে এ ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হবে। চাহিদা বাড়লে ভবিষ্যতে অ্যাম্বুলেন্সের সংখ্যা ও সক্রিয় বেস বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

  • সর্বশেষ