শিরোনাম
◈ র‍্যাবের ‘আয়নাঘরে’ ৭ ‘ডেথ সেল’, মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য (ভিডিও) ◈ সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় দেশজুড়ে কড়া সতর্কতা ◈ কারাতে দক্ষতার প্রদর্শন, কাঠের তক্তা ভাঙলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ (ভিডিও) ◈ দেশের সব বন্দরে ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশি হিন্দুরা অনুপ্রবেশকারী নয়, তারা শরণার্থী: শুভেন্দু ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ, আগামী সপ্তাহে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ী ◈ সম্পত্তি লিখে দিলেও থাকবে বাবা-মায়ের অধিকার, সম্পত্তি আইনে আসছে যুগান্তকারী সংশোধন ◈ কোনো ওষুধ নেই, নেই টিকাও! পৃথিবীর বুকে হাজির আরেক ভয়ংকর মহামারি? ◈ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ◈ ৭৫ বছর পর সৌদিতে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, ছয় মিনিট ঢেকে থাকবে সূর্য

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৩৯ বিকাল
আপডেট : ২৬ জুলাই, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় 

মনিরুল ইসলাম : ১৭ বছর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা দুর্নীতি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খানের আদালত খালাসের রায় ঘোষণা করেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের আইনজীবী মো. বোরহান উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আদালতে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত। ২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক এস. এম. মফিদুল ইসলাম বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ বলা হয়, রায়ের বাজারে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের একটি ছয়তলা বাড়ির নির্মাণ ব্যয়ে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং কেরানীগঞ্জে পৈত্রিক জমিতে বাড়ির নির্মাণে ১৫ লাখ ৪ হাজার টাকা ব্যয়ের উল্লেখ করা হয়। তদন্তে গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃক ওই বাড়ি দুটির অতিরিক্ত নির্মাণ ব্যয় পাওয়া যায় ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৫ টাকা। এসব অর্থ তার গোপন করা এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত হয়। এছাড়া গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বাসায় ব্যবহার্য ৫৮ হাজার ৬০০ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী পাওয়া যায়।

তথ্য অনুযায়ী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ২০০৪-২০০৫ সালে ক্ষমতাসীন দলের নেতা হওয়ার সুবাদে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেড ও রেজা কন্সট্রাকশন লিমিটেডের নামে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হতে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। যা কোন বৈধ উৎস নেই। এসব অর্থ সম্পদ তিনি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন মর্মে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

২০০৯ সালে এ মামলা তদন্ত শেষে ৫ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এস. এম. মফিদুল ইসলাম। ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এ মামলার বিচার চলাকালে ৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়