শিরোনাম
◈ চাঁদাবাজদের তালিকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের আধিপত্য ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে মালয়েশিয়াকে নিয়ে সতর্ক কোচ সালাহউদ্দিন ◈ গোপনে আবুধাবিতে নেতানিয়াহু, আরও ঘনিষ্ঠ ইসরায়েল-আমিরাত ◈ বিরাট কোহ‌লি বিশ্বকাপে যে হার এখনো ভুলতে পারেননি  ◈ ইয়াবা পাচারে বদলেছে রুট, বাড়ছে রেল-নৌ ও পাহাড়ি পথের ব্যবহার ◈ বিদেশিবিরোধী উত্তেজনায় আতঙ্কিত দক্ষিণ আফ্রিকার অভিবাসীরা ◈ আর্মব্যান্ড ছাড়াই হামজা নেতা: থমাস ডুলি ◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি

প্রকাশিত : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২২ দুপুর
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

চাঁদাবাজদের তালিকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের আধিপত্য

এল আর বাদল:  ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তালিকা অনুযায়ী, রাজধানীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকা চাঁদাবাজির কারবার এখন অনেকটাই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হাতে।

ডিএমপির তালিকায় রাজধানীজুড়ে চাঁদাবাজি ও জমি-সম্পত্তি দখলে জড়িত ১ হাজার ৫৩০ জনের নাম রয়েছে। এর মধ্যে ২৭৮ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে। তাদের ২৩০ জনই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বর্তমান বা সাবেক নেতা-কর্মী। সূত্র,নিউ এইজ

তালিকায় মাঠপর্যায়ের ১ হাজার ২৫২ জনের মধ্যে অন্তত ৩৫০ জনকে বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও অনেকে নিজেদের ক্ষমতাসীন দলের লোক হিসেবে পরিচয় দেন। তালিকায় শীর্ষ তালিকাভুক্ত কয়েকজন আন্ডারওয়ার্ল্ড অপরাধীর নামও রয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় পুলিশ সদস্যদের সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

ডিএমপির তালিকা অনুযায়ী, রাজধানীর ৭৮টি স্থানে পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। শুধু মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-২ পর্যন্ত ফুটপাত থেকেই মাসে প্রায় ৪২ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের তথ্য রয়েছে।

advertisement

গত শুক্রবার ভোর থেকে শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত রাজধানীতে তিনটি ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুর, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় জমি দখলের চেষ্টা এবং ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ডিএমপির এক কর্মকর্তা জানান, দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে তদন্তের ভিত্তিতে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলে এটি প্রথম প্রস্তুত করা হয়। এরপর নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়েছে; সর্বশেষ চলতি মাসেও তা আপডেট করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বিএনপির অন্তত ছয়জন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। একজন ছাড়া কেউ মন্তব্য করেননি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে অবগত নই। বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করার অবস্থাতেও আমি নেই।

  • সর্বশেষ