শিরোনাম
◈ ব্রিকস সম্মেলনে ডলারের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা, কতটা সফল হবে জোট? ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলা‌দে‌শের আপাতত জায়গা হচ্ছে না, বুঝিয়ে দিল পাকিস্তান! ◈ তারেক রহমান ভারত সফরে আগ্রহী, তবে আগে চূড়ান্ত করতে হবে এজেন্ডা: দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন ◈ সংবাদমাধ্যমের অবদানেই আজকের অবস্থান, ফ্রি মিডিয়ার আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর ◈ ভারতের কাছে ১৯ গোল হজম কর‌লো পাকিস্তান ◈ ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের অভিষেকেই দলকে জেতালেন মে‌হেদী মিরাজ ◈ বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল সংসদে পাস ◈ ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন ◈ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, প্লাবিত হতে পারে পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল: পাউবো ◈ ‘বন্ধু’ আমিরাতের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ডাক, সঙ্গে আরও ৭ মুসলিম দেশ

প্রকাশিত : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:১১ রাত
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সংসদে রুমিন ফারহানার ক্ষোভ : ‘গালাগালি সংসদীয় রীতির মধ্যে পড়ে না, ডিসেন্ট ভয়েস দমিয়ে রাখা হচ্ছে’

মনিরুল ইসলাম : জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে ‘অকথ্য ভাষায় গালাগালি’ করার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, এমন আচরণ কোনওভাবেই সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না এবং এতে ভিন্নমত বা ‘ডিসেন্ট ভয়েস’ তুলে ধরার পরিবেশ সংকুচিত হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬–এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই আগের দিনের সংসদীয় পরিবেশের সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন যেখানে ভিন্নমত প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার দাবি, বক্তব্য শেষ করার পর আশপাশের কয়েকজন সংসদ সদস্য তাকে ‘অকথ্য ভাষায় গালাগালি’ করেছেন, যা সংসদের মর্যাদার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, কোনও বক্তব্যের বিরোধিতা থাকলে তা নিয়ম অনুযায়ী দাঁড়িয়ে বা বক্তব্য দিয়ে জানানো উচিত ছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অশালীন আচরণ সংসদীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী।

সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি দল, বিরোধী দল কিংবা স্বতন্ত্র—সবারই নিজস্ব মতামত প্রকাশের অধিকার থাকা উচিত। গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য এ পরিবেশ অপরিহার্য।

মনিরুল ইসলাম : জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে ‘অকথ্য ভাষায় গালাগালি’ করার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, এমন আচরণ কোনওভাবেই সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না এবং এতে ভিন্নমত বা ‘ডিসেন্ট ভয়েস’ তুলে ধরার পরিবেশ সংকুচিত হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬–এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই আগের দিনের সংসদীয় পরিবেশের সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন যেখানে ভিন্নমত প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার দাবি, বক্তব্য শেষ করার পর আশপাশের কয়েকজন সংসদ সদস্য তাকে ‘অকথ্য ভাষায় গালাগালি’ করেছেন, যা সংসদের মর্যাদার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, কোনও বক্তব্যের বিরোধিতা থাকলে তা নিয়ম অনুযায়ী দাঁড়িয়ে বা বক্তব্য দিয়ে জানানো উচিত ছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অশালীন আচরণ সংসদীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী।

সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি দল, বিরোধী দল কিংবা স্বতন্ত্র—সবারই নিজস্ব মতামত প্রকাশের অধিকার থাকা উচিত। গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য এ পরিবেশ অপরিহার্য।

এসআরবি নিয়েও সতর্কবার্তা

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে গঠিতব্য স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নিয়ে সতর্কতা জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, নতুন বাহিনী যেন কেবল নাম ও পোশাক পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরোনো কাঠামোর পুনরাবৃত্তি না হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল—হয়রানি, নির্যাতন ও ভীতির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর দেখতে চান না বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোর নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশসহ সব বাহিনীকে দলীয়করণ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে আইন ও শৃঙ্খলার মধ্যে পরিচালনা করতে হবে।

সংসদে প্রতিক্রিয়া

রুমিন ফারহানার বক্তব্যের পর স্পিকার সংসদে শৃঙ্খলা ও বাকস্বাধীনতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বিরোধী—সব সদস্যই বক্তব্য দেওয়ার সময় পরস্পরকে বাধা দেবেন না।

এর আগে অধিবেশনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬ কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিল অনুযায়ী, বিলুপ্ত র‍্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে এসআরবি গঠন করা হবে।

রুমিন ফারহানা তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, নতুন বাহিনীসহ সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে—তবেই জনগণের আস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে গঠিতব্য স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নিয়ে সতর্কতা জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, নতুন বাহিনী যেন কেবল নাম ও পোশাক পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরোনো কাঠামোর পুনরাবৃত্তি না হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল—হয়রানি, নির্যাতন ও ভীতির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর দেখতে চান না বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোর নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশসহ সব বাহিনীকে দলীয়করণ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে আইন ও শৃঙ্খলার মধ্যে পরিচালনা করতে হবে।

সংসদে প্রতিক্রিয়া

রুমিন ফারহানার বক্তব্যের পর স্পিকার সংসদে শৃঙ্খলা ও বাকস্বাধীনতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বিরোধী—সব সদস্যই বক্তব্য দেওয়ার সময় পরস্পরকে বাধা দেবেন না।

এর আগে অধিবেশনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬ কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিল অনুযায়ী, বিলুপ্ত র‍্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে এসআরবি গঠন করা হবে।

রুমিন ফারহানা তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, নতুন বাহিনীসহ সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে—তবেই জনগণের আস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।

  • সর্বশেষ