শিরোনাম
◈ ব্রিকস সম্মেলনে ডলারের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা, কতটা সফল হবে জোট? ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলা‌দে‌শের আপাতত জায়গা হচ্ছে না, বুঝিয়ে দিল পাকিস্তান! ◈ তারেক রহমান ভারত সফরে আগ্রহী, তবে আগে চূড়ান্ত করতে হবে এজেন্ডা: দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন ◈ সংবাদমাধ্যমের অবদানেই আজকের অবস্থান, ফ্রি মিডিয়ার আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর ◈ ভারতের কাছে ১৯ গোল হজম কর‌লো পাকিস্তান ◈ ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের অভিষেকেই দলকে জেতালেন মে‌হেদী মিরাজ ◈ বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল সংসদে পাস ◈ ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন ◈ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, প্লাবিত হতে পারে পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল: পাউবো ◈ ‘বন্ধু’ আমিরাতের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ডাক, সঙ্গে আরও ৭ মুসলিম দেশ

প্রকাশিত : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৬ রাত
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রিকস সম্মেলনে ডলারের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা, কতটা সফল হবে জোট?

ভারতের নয়াদিল্লিতে শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। চলবে দুইদিন। এতে অন্তত ২১টি দেশের সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে ১১টি দেশ এই অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক জোটের সদস্য। বাকিরা অংশীদার।

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাত দেশের আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তিনি যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা আছে।

সম্মেলনটি হতে যাচ্ছে দিল্লির চাণক্যপুরীতে। যেটির নামকরণ হয়েছে বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও দার্শনিক চাণক্যের নামানুসারে। তিনি কৌটিল্য নামেও পরিচিত। মৌর্য আমলে তাঁর রচিত অর্থশাস্ত্রকে এখনো ভারতীয় উপমহাদেশের অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা ও কূটনীতিতে গুরুত্ব দিয়ে অধ্যায়ন করা হয়।  

অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে হতে যাওয়া এই শীর্ষ সম্মেলনের প্রায় এক মাস আগে ভারতেই প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেছিলেন সদস্য দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা, আর্থিক ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পারস্পরিক লেনদেনে জাতীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হয়।

এবারের এজেন্ডা কী?

ব্রিকসের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এবারের শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘বিল্ডিং ফর রেজিলিয়েন্স, ইনোভেশন, কোঅপারেশন অ্যান্ড সাস্টেইনেবিলিটি’। যার অর্থ নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া বা ঘুরে দাঁড়ানো এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা বাড়ানো।

জোটের পক্ষ থেকেও এই বিষয়গুলোর পৃথক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ‘রেজিলিয়েন্স’ বলতে তারা বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন, স্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করাকে বুঝিয়েছে। 

উদ্ভাবনের মধ্যে আছে ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজি (ফিনটেক) ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বাড়ানো। আর পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে উন্নয়ন অর্থায়ন, বাণিজ্য সহজীকরণ ও নীতিগত সমন্বয় জোরদারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। টেকসই লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে আছে জ্বালানি খাতে রূপান্তর ও সবুজ অর্থায়ন।

এই ক্ষেত্রগুলোতে কে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে; সে সম্পর্কে ধারণা পেতে জোটের সদস্যদের ওপর নজর দেওয়া প্রয়োজন।

কারা অংশ নিচ্ছে?

বিশ্বের প্রধান উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর এই জোটে ভারতের পাশাপাশি আছে চীন ও রাশিয়া। আরও আছে জ্বালানি খাতের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারক সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরান। মিসর, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়াও জোটের স্থায়ী সদস্য। 

এর মধ্যে মিসর বিশ্বের অন্যতম প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ সুয়েজ খালের নিয়ন্ত্রক। দক্ষিণ আফ্রিকার ‘কেপ অব গুড হোপ’ সুয়েজ খালের মতোই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। ইথিওপিয়া সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগরের প্রবেশপথ বাব এল-মান্দেব প্রণালির কাছে অবস্থিত। 

জলবায়ু কূটনীতি, কৃষি ও খনিজ সম্পদে বড় ভূমিকা রাখে ব্রাজিল। এছাড়া, বিশ্বে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আরেক জলপথ মালাক্কা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের উপকূলে অবস্থিত। এর অপরপাশে আছে মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড। তারা এই জোটের অংশীদার দেশ। অংশীদারদের মধ্যে আরও আছে ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, কিউবা, বলিভিয়া, বেলারুশ, উগান্ডা ও নাইজেরিয়া।  

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শীর্ষ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের শি জিনপিং ও ইরানের মাসুদ পেজেশকিয়ানের পাশাপাশি সদস্য-অংশীদার দেশগুলোর সরকারপ্রধানরা অংশ নেবেন। 

এবারের সম্মেলন কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতীয় গণমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, শীর্ষ সম্মেলনের আগে বুধ-বৃহস্পতিবার সদস্য দেশের অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নররা মুম্বাইয়ে আরেক দফায় বৈঠক করছেন। এর সিদ্ধান্তগুলো এখনো জানা যায়নি।

মূল সম্মেলনের সম্ভাব্য সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে রাশিয়া, চীন ও ভারতের গণমাধ্যম পৃথক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। রুশ সরকারি গণমাধ্যম আরটি লিখেছে, সদস্যদের মধ্যে বাণিজ্য আরও সহজ ও দ্রুত করার বাস্তব উপায় খুঁজছে জোটটি। এর মধ্যে আছে জাতীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানো এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা।

ভারত সরকারের সূত্রের বরাত দিয়ে রুশ গণমাধ্যম তাস জানিয়েছে, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন নিষ্পত্তি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা (সিবিডিসি) ব্যবহারকারী প্ল্যাটফর্ম নিয়েও আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত এসব ব্যবস্থা বিদ্যমান বৈশ্বিক পেমেন্ট ও লেনদেন নিষ্পত্তির পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। 

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার বিপুল পরিমাণ সম্পদ দেশের বাইরে জব্দ হয়ে আছে। সম্প্রতি ইরানের বাণিজ্য অংশীদারদের বিরুদ্ধেও পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় পড়ার শঙ্কায় আছে চীনের ব্যাংক।  

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড লিখেছে, অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলোর ক্ষেত্রে সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। নেতারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, সাইডলাইনে ভ্লাদিমির পুতিন ও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির পৃথক বৈঠক হতে পারে। সেখানে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ গুরুত্ব পাবে।

চীনের ক্ষমতাসীন দল কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র হিসেবে পরিচিত গ্লোবাল টাইমস। মঙ্গলবার তারা লিখেছে, সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাণিজ্য অস্থিরতার মুখে ব্রিকসের মতো জোট আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। এটি বাস্তবসম্মত সমাধান এবং অভিন্ন প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

ডলারের বিকল্প সন্ধান

ব্রিকসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো বাণিজ্য ও অর্থায়নে জাতীয় মুদ্রার ব্যবহার। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর মিসরের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা মাদবৌলি বলেন, সদস্যরা ক্রমেই স্থানীয় মুদ্রায় দ্বিপাক্ষিক লেনদেন সম্পন্ন করছে। এটি বিদেশি মুদ্রার ওপর নির্ভরতা কমানোর বৃহত্তর কৌশলের অংশ।

স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের পরিধি বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হলেও সদস্য দেশগুলো এখনো অভিন্ন ব্রিকস মুদ্রা চালুর উদ্যোগ নেয়নি। জোটটির গঠন করা ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’ স্থানীয় মুদ্রায় অর্থায়নকে কৌশলগত অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

ব্যাংকটির ২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বছর প্রকল্প বা ঋণের জন্য সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব মুদ্রায় ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধান মুদ্রার মধ্যে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার র‍্যান্ড ও চীনের ইউয়ান।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের (সিএফআর) চায়না স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক জংইউয়ান জো লিউ বলছেন, ব্রিকসের একটি অভিন্ন মুদ্রা চালু করতে বড় ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ব্যাংকিং ইউনিয়ন, আর্থিক ইউনিয়ন ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে পারস্পরিক সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠার মতো বিষয় আছে।

গত বছরের জুনে সিএফআরে প্রকাশিত নিবন্ধে জো লিউ লিখেন, ডলার দীর্ঘদিন ধরে প্রধান রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এটি দিয়ে এখনো বৈশ্বিক বাণিজ্যে ৮০ শতাংশের বেশি লেনদেন হয়। ব্রিকসের রিজার্ভ মুদ্রা বিশ্বব্যাপী লেনদেনে কতটা আস্থা ও স্থিতিশীলতা অর্জন করবে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সন্দেহ আছে।

ব্রিকসের লক্ষ্য অর্জন কতটা কঠিন?

আসন্ন সম্মেলনে জোটের লক্ষ্য অর্জন সংক্রান্ত আলোচনা কতটা জটিল হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে খোদ ভারতীয় গণমাধ্যমেই প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড লিখেছে, সদস্যপদ সম্প্রসারণের কারণে জোটকে এখন ভিন্ন ভিন্ন ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ইরান ও আমিরাতের মতো দেশগুলোর উপস্থিতি জোটের আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলেছে। কারণ, পশ্চিম এশিয়া নিয়ে দেশগুলোর স্বার্থ ভিন্ন।

সিএফআরের গবেষক জংইউয়ান জো লিউ-ও তাঁর নিবন্ধে বলেছেন, গ্লোবাল সাউথের অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে চীন-ভারতের মধ্যে প্রতিযোগিতা আছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন সদস্যদের মধ্যে বিভেদ গভীর করেছে। তারা রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধে পশ্চিমা মিত্রদের চাপের মুখে আছে। 

তবে সংশয়বাদীদের দৃষ্টিভঙ্গিকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে রাজি নন সেন্টার ফর ব্রিকসের পরিচালক শু ফেবিয়াও। বৃহস্পতিবার চীনা গণমাধ্যম সিজিটিএনে তিনি লিখেছেন, মতভেদ থাকাটা সামগ্রিক পরিস্থিতির কেবল একটি দিক। বড় সত্য হলো, এই মতভেদ সহযোগিতার ধারাবাহিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেনি।

শু ফেবিয়াওয়ের দাবি, বৃহত্তর ব্রিকস সহযোগিতা চালুর পর গত তিন বছরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জোটের অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা বেড়েছে।

নিবন্ধে আন্তর্জাতিক সংলাপ ও বোঝাপড়া নিয়ে কাজ করা জার্মানির সংস্থা কোরবার ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত একটি তথ্য উল্লেখ করেছেন ফেবিয়াও। লিখেছেন, গ্লোবাল সাউথের প্রধান দেশগুলো মনে করে, জাতিসংঘ, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের চেয়েও ব্রিকস বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: সমকাল 

  • সর্বশেষ