নদ-নদীর পানি বাড়ায় দেশের পাঁচটি জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এমন তথ্য জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
পাউবো জানিয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজান এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকা ও সংলগ্ন এলাকায় মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল রয়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। অপরদিকে, গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানির সমতল বেড়েছে।
গঙ্গা নদীর পানি সমতল আগামী এক দিন বৃদ্ধি ও দ্বিতীয় দিন স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী তিন দিন হ্রাস পেতে পারে।
এ ছাড়া পদ্মা নদীর পানির সমতল আগামী দুই দিন বৃদ্ধি পেতে পারে ও পরবর্তী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টায় গঙ্গা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সামরিকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় গড়াই ও মাথাভাঙা নদীর পানির সমতল বেড়েছে, যা আগামী দুই দিন বৃদ্ধি পেতে পারে ও তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
আগামী ২৪-৭২ ঘণ্টায় গড়াই নদী ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মাগুরা জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
এ ছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানির সমতল বেড়েছে। উক্ত নদীগুলোর পানির সমতল আগামী তিন দিন বাড়তে পারে। আগামী ২৪-৭২ ঘণ্টায় কুশিয়ারা নদী সিলেট জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
উত্তরাঞ্চলীয় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। তিস্তা নদীর পানির সমতল আগামী এক দিন বৃদ্ধি পেতে পারে ও পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। অপরদিকে, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির সমতল আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।