শিরোনাম
◈ কানাডায় নতুন পিআর পাওয়ার নতুন সুযোগ, তিন বছরে নেওয়া হবে ১১ লাখ ৪০ হাজার অভিবাসী ◈ দুবলার চরে সাগরে গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল পর্যটকের, ৩৩ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার ◈ ক্ষতিকর উপাদান থাকায় নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম, দুবাইফেরত যাত্রীর কাছ থেকে ১ হাজার ৩০০ পিস জব্দ ◈ মিথিলার পর ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৬’-এর মুকুট উঠল সামিরা খান মাহির মাথায় ◈ লাইসেন্স ছাড়া অনলাইনে বিক্রি করা যাবে না চাঁদপুরের ইলিশ, আবেদন করতে হবে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ◈ আসামি ছিনিয়ে নেওয়া থেকে পুলিশ হত্যা, বাড়ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তাঝুঁকি ◈ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার দেখা মিলল বিপন্ন প্রজাতির ‘যশোরের হনুমান’, ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্য ◈ ৭ নভেম্বর কোনো দলের একক সম্পত্তি নয়, এটি জাতীয় অর্জন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ এইচএসসি ফল চ্যালেঞ্জে ১০ লাখের বেশি আবেদন, শিক্ষা বোর্ডের আয় ১৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ◈ শ্রীলঙ্কাকে ৪৫ রা‌নে হারিয়ে যুব এশিয়া কা‌পের সেমিফাইনা‌লের পথে বাংলাদেশ 

প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর, ২০২৩, ১২:৪৮ দুপুর
আপডেট : ১৯ নভেম্বর, ২০২৩, ১২:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে ফারসি চর্চা ও ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

সুজন পারভেজ : বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত একটি দেশ। ঢাকা তার রাজধানী। কয়েক শতাব্দী ফারসি ভাষা ভারতীয় উপমহাদেশের রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে প্রচলিত ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যেটি ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগ হিসেবে ফারসি ভাষা বিভাগ তার যাত্রা শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্ন থেকে ‘ফারসি ও উর্দু’ বিভাগ একসাথে ছিল। পরবর্তীকালে ২০০৬ সালে উর্দু থেকে ফারসি আলাদা হয়ে ‘ফারসি ভাষা ও সাহিত্য’ বিভাগ নামে নতুনভাবে তার পথযাত্রা শুরু করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র থেকেও ফারসি ভাষা শিক্ষা কোর্সগুলো পরিচালনা ও ফারসি ভাষা শিক্ষা দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও অন্য আরও দুটি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।

প্রায় একই সংখ্যক শিক্ষার্থী রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে পড়াশোনা করে। বাংলাদেশে কিছু লোক ব্যক্তিগতভাবে ফারসি ভাষা শিখেন এবং ফারসি কবিতাগুলো পাঠ করেন। ফারসি ভাষা বিভাগের শিক্ষার্থী ছাড়াও অনেক শিক্ষার্থী ও ব্যক্তি রয়েছেন যারা ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি খুব আগ্রহী। বাংলাদেশে যারা ফারসি ভাষা জানেন ও ফারসির প্রতি আগ্রহী তাদের জন্য ‘আনজুমানে ফারসি বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠন রয়েছে। সংগঠনটি ইরান, ইরানের কবি,সাহিত্যিক এবং ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদি আয়োজন করে থাকে।

ইরানও এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। তেহরান ইরানের রাজধানী। ইরানের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি খুব সমৃদ্ধ ও সুদীর্ঘ। ইরানে ১৩৫৭ ফারসি সালে (১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে) ইসলামি বিপ্লব সংঘটিত হয়। ইসলামি বিপ্লবের বিজয়ের পর ফারসি ভাষা,সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রসারের লক্ষ্যে  বাংলাদেশে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় থেকে ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম যেমন: ইরানি নওরোজ উৎসবের সাথে বাংলা নববর্ষ উদযাপন, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী,খাদ্য উৎসব,চিত্র প্রদর্শনী এবং ইরানের বড় বড় কবি ও সাহিত্যকদের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষীকি উদযাপনসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠোনের আয়োজন করে থাকে।ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থেকে ফারসি ভাষা শিক্ষার ওপর চারটি কোর্স : জুনিয়র, সিনিয়র, ডিপ্লোমা ও উচ্চতর ডিপ্লোমা কোর্সগুলো পরিচালনা করা হয়। ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও ফারসি ভাষা ও সাহিত্যে আগ্রহীরা এখান থেকে ভাষা শিখতে পারেন। এভাবেই শিল্প-সাহিত্য,কৃষ্টি ও সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমে দু-দেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় হচ্ছে।

 

  • সর্বশেষ