শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া ◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২৬, ১২:৪০ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

লোকমান হোসেন ফকিরের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে: ফকির মাহবুব আনাম

মনিরুল ইসলাম: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, একুশে পদকপ্রাপ্ত গীতিকার লোকমান হোসেন ফকির শুধু একজন শিল্পীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন দেশের লোকসংগীত ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একজন উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব।

শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি–র জাতীয় নাট্যশালায় লোকমান হোসেন ফকির স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)।

মন্ত্রী বলেন, লোকমান হোসেন ফকিরের গান ও সৃষ্টিকর্ম আজও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালে ‘চরিত্রহীন’ চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনার জন্য তিনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেন এবং তাঁর পরিবেশিত লোকগান আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রশংসিত হয়।

তিনি আরও বলেন, যারা দেশ ও সংস্কৃতির জন্য কাজ করেন, তারা কখনও হারিয়ে যান না। তাদের অবদান মানুষের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকে। হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতি ও লোকগান নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে জাসাসকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।

Advertisement

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, লোকমান হোসেন ফকির কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন না, তিনি সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ছিলেন। তাঁর জীবন ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান তাঁকে দিয়েই জাসাস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একজন নিবেদিত সৈনিক, যার গান ও সংগীতচর্চা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

হেলাল খান–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আসরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদ সোহরাব এবং জাসাসের সাবেক সভাপতি রেজাবুদৌল্লাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন।

আলোচনা সভা শেষে লোকমান হোসেন ফকিরের লেখা ও সুর করা গান পরিবেশন করেন জাসাসের শিল্পীরা। এতে অংশ নেন আলম আরা মিনু, মিমি আলাউদ্দিন, মৌসুমী ইকবাল এবং পায়েল। শিশু শিল্পীদের গান ও নৃত্য পরিবেশনও দর্শকদের মুগ্ধ করে।

  • সর্বশেষ