শিরোনাম
◈ পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে ফিরেছেন নেইমার, বৃহষ্প‌তিবার খেল‌বেন স্কটল‌্যা‌ন্ডের বিরু‌দ্ধে! ◈ হান্নান সরকার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ, মেন্টর রিয়াদ ◈ হালান্ডের জোড়া গোলে সেনেগালকে হারিয়ে নকআউট নিশ্চিত নরওয়ের ◈ এমবাপ্পের জোড়া গোলে ইরাককে হারিয়ে নকআউটে ফ্রান্স ◈ বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ৩ নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করবে ভারত ◈ ভারতের সতর্কতা, আগামী ২৪-৭২ ঘণ্টায় বন্যার ঝুঁকি তিন বিভাগে ◈ মেসি ম্যাজিকে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ◈ কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ভাষণে যা বললেন ◈ কোটি টাকার করের ফাঁদে আবাসন খাতের গ্রাহক! ◈ ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম: মাজারের ডেগ খুলে প্রকাশ্যে টাকা গণনা, দানবাক্স খুলে মিলল ১৭ লাখ টাকার বেশি

প্রকাশিত : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৪ দুপুর
আপডেট : ২১ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোটা না চিকন, কোন চাল বেশি স্বাস্থ্যকর? পুষ্টিবিদ যা বললেন

বাজারে নানান রকম চাল। কোনোটা বেশ চিকন, কোনোটা একটু মোটা। নিয়মিত খাওয়ার জন্য কোন চাল বেশি স্বাস্থ্যকর? এ বিষয়ে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন রাফিয়া আলম।

পুষ্টিগুণে এগিয়ে যে চাল

চালের বাইরের দিককার স্তরে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু পুষ্টি উপাদান থাকে। চাল প্রক্রিয়াজাত করার সময় এর বাইরের স্তর নষ্ট হয়। তাই হারিয়ে যায় এসব পুষ্টি উপাদান।

এসব পুষ্টি উপাদানের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলো ভিটামিন বি, যার মধ্যে আছে থায়ামিন, নায়াসিন ও পাইরিডক্সিন। জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ আর ফসফরাসের মতো খনিজ উপাদানও অনেকটাই নষ্ট হয় চাল প্রক্রিয়াজাত করার সময়। আরও হারিয়ে যায় আঁশ।

অর্থাৎ চাল যত চিকন হবে, তাতে এসব পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ ততই কমবে। বুঝতেই পারছেন, চিকন চালের চেয়ে মোটা চাল পুষ্টিগুণে অনেকটাই এগিয়ে।

আরও সুবিধা-অসুবিধা

মোটা চালে আঁশের পরিমাণ বেশি। তাই এই চালের ভাত কম পরিমাণে খেলেও পেট ভরে যায়। তৃপ্তি হয়। আর এই চালের ভাত হজম হয় ধীরে ধীরে। এই চালের ভাত খেলে রক্তের শর্করা হুট করে বাড়ে না। বরং ধীরে ধীরে বাড়ে। তাই লম্বা সময় ধরে শক্তি পায় আমাদের দেহ। মোটা চালের ভাত খেলে সহজে ক্ষুধাও পায় না।

চিকন চালের ক্ষেত্রে ঘটে উল্টোটা। আঁশ কম থাকায় এই চালের ভাত হজম হয় দ্রুত। এই চালের ভাত খেলে রক্তের শর্করা দ্রুত বেড়ে যায়। অল্প সময় পরে সেই শর্করা দেহের কোষে ঢোকার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে যায়। তাতে দেহের বিভিন্ন অংশে মেদ জমার প্রবণতা বাড়ে। আর ক্ষুধাও লেগে যায় বেশ দ্রুত। ফলে ক্যালরি গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

শেষ কথা

মোটা চালে পর্যাপ্ত আঁশ থাকার কারণে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ। ওজন নিয়ন্ত্রণ, রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্য এই চালই ভালো।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কিংবা যাঁদের রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাঁদের জন্য মোটা চাল ভালো। নীরোগ ব্যক্তির সুস্থতার চর্চায়ও মোটা চাল বেছে নেওয়াই ভালো।

তবে যাঁদের হজমের সমস্যা খুব বেশি, তাঁদের জন্য চিকন চাল ভালো। খাবার চিবাতে বা গিলতে যাঁদের কোনো সমস্যা আছে, তাঁদের জন্যও চিকন চাল সুবিধাজনক।

এ ছাড়া যে কারও ক্ষেত্রেই কোনো কারণে হজমের সাময়িক সমস্যা হলে অল্প কিছুদিনের জন্য চিকন চালের ভাত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়