শিরোনাম
◈ তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলে এবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ◈ গঙ্গা চুক্তিসহ নদী ইস্যুতে বাংলাদেশ-ভারত আলোচনা চলছে: রণধীর জয়সওয়াল ◈ মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ◈ রাষ্ট্রপতি কার্যালয়সহ ৩ সচিব পদে রদবদল ◈ বিশ্বকাপ ফাইনালে মারামারি: ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ পারেদেস, আর ৭ ম্যাচ মোলিনা ◈ নতুন পাঁচজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন? ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব ◈ ইতালির তৃতীয় বিভাগ ক্লাব রাভেনা এফসির অংশীদার হলেন রোনালদিনহো ◈ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ◈ ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের শপথ আজ: বঙ্গভবনে অতিথিদের ভিড়, জোরদার নিরাপত্তা

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০১:৫৭ রাত
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০১:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবলারদের নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

শায়খ আহমাদুল্লাহ

স্পোর্টস ডেস্ক: নেপালের ঘরের মাঠ কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ঐতিহাসিক এই অর্জনে গোটা দেশের মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছে সাবিনারা। এবার চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে নিজের মন্তব্য জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। 

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ বিষয়ে ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করেন। শায়খ আহমাদুল্লাহর ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো–

মহিলা ফুটবল দলের শিরোপা জেতায় যারা অতি উৎফুল্ল, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় পর্দানশীন মেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করার ঘটনায় তাদের এতো উৎফুল্ল হতে দেখা যায়নি কেন? তবে কি তাদের লক্ষ্য নারীর উন্নতি নাকি উন্নয়নের নামে নারীর উন্মুক্ত উপস্থাপন?

যারা নারী ফুটবলারদের দিয়ে এদেশে 'ধর্মবিদ্বেষ' কায়েম করতে চাইছেন, তাদের ভাবখানা এমন যেন মহিলা ফুটবল দল নেপালের বিরুদ্ধে খেলতে নামেনি, বরং ইসলামের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছিল! বাস্তবতা হলো, এদেশের মানুষ ধর্মপরায়ণ। খেলোয়াড়রাও এর বাহিরে নন। 

আপনারা যাদের ‘ইউজ’ করে ইসলামবিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন, তাদের একজন আল্লাহর উপর ভরসার কথা লিখে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। আরেকজন মাকে নামাজ-রোজা করতে বলেছেন। কখনো আবার পুরো দল সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। এ থেকে পরিষ্কার যে, তারা মুসলমানের সন্তান। তারা আমাদেরই বোন। হয়তো ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা তাদের নাই। যারা পাহাড়ী আছেন, তারাও আমাদের অংশ।

তাছাড়া এসব মেয়েরা নিতান্ত গরীব ঘরের সন্তান। যদি তারা একটু সচ্ছল ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতেন তাহলে তাদের কয়জন ফুটবলকে পেশা হিসেবে বেছে নিতেন সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ বিষয়। সুতরাং ‘নারীবাদ’-এর মতো বড়লোকি তত্ত্ব তাদের জীবনে একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বহীন।

অতএব, এদের দিয়ে ইসলাম বিদ্বেষ ও আলেমদের প্রতি ঘৃণার চাষাবাদ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এই দেশে সফল হবে না। বরং তাদের মধ্যে সামান্য দা’ওয়াতী কাজ করা গেলে এরা একেকজন হাজারো মানুষের হেদায়েতের কারণ হতে পারেন ইন শা আল্লাহ।

তবে এটা সত্য যে, যেটাকে খেলা বলা হচ্ছে সেটা মূলত: একটা সাংস্কৃতিক যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে যাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে অনেক সময় তারা নিজেরাও জানেন না যে, সামান্য পয়সার বিনিময়ে তাদের কোন্ কাজে ইউজ করা হচ্ছে। মহান আল্লাহ তাদের ও ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ লালনকারীদের হেদায়েত দান করুন।

উল্লেখ্য, বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরবেন সাফ চ্যাম্পিয়নরা। তাদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ছাদ খোলা বাস। সেই বাসে চড়ে ট্রিফ উচিয়ে ধরে বাংলাদেশ ফুুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কার্যালয়ে পৌঁছাবে সাবিনারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়