শিরোনাম
◈ নতুন পাঁচজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন? ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব ◈ ইতালির তৃতীয় বিভাগ ক্লাব রাভেনা এফসির অংশীদার হলেন রোনালদিনহো ◈ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ◈ ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের শপথ আজ: বঙ্গভবনে অতিথিদের ভিড়, জোরদার নিরাপত্তা ◈ ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন কঠিন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশি তরুণদের স্বপ্ন ◈ বিমান থেকে সরানো হচ্ছে আফরোজাকে, পাচ্ছেন যে মন্ত্রণালয় ◈ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক সামরিক জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে যা বলছে ভারত ◈ রাজস্থানে ককরোচ পার্টির ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ◈ তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর দিয়ে আবার প্রত্যাহার করল ভারত

প্রকাশিত : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:১৭ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাজার থেকে বাগানবাড়ি, যেভাবে গড়ে উঠল বঙ্গভবন

আজ যেখানে বঙ্গভবন দাঁড়িয়ে, কয়েক শতাব্দী আগে সেখানে কোনো রাষ্ট্রীয় ভবন ছিল না। বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, পঞ্চদশ শতকে সুফিসাধক শাহ জালাল দাখিনী ও তার অনুসারীরা এখানে আসেন এবং একটি খানকাহ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৪৭৬ সালে সুলতানের লোকদের হাতে নিহত হওয়ার পর তাকে এখানেই সমাহিত করা হয়। তার মুরিদ শাহ কামালকেও পাশে দাফন করা হয়। ধীরে ধীরে দুই কবর ঘিরে এলাকাটি মাজার হিসেবে পরিচিতি পায়।

মুঘল আমলে এলাকাটি নওয়ারা মহলের দায়িত্বে থাকা মির্জা মুকিমের বাসভবনের অংশ ছিল। কথিত আছে, তার মেয়ের অলংকার একটি দিঘিতে ফেলার ঘটনা থেকেই কাছের এলাকার নাম হয় মতিঝিল।

ব্রিটিশ আমলে জায়গাটি আর্মেনীয় জমিদার মানুকের মালিকানায় ছিল বলে ধারণা করা হয়। পরে ঢাকার নবাব খাজা আবদুল গনি এটি কিনে ‘দিলকুশা বাগ’ নামে বাগানবাড়ি গড়ে তোলেন।

বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকা পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী হলে দিলকুশার একাংশে নতুন প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ শুরু হয়। ১৯০৬ সালে উদ্বোধন হওয়া ভবনটির নির্মাণ শেষ হয় ১৯১১ সালে এবং এর নাম রাখা হয় ‘গভর্নমেন্ট হাউজ’।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ভবনটির নাম হয় ‘গভর্নর হাউজ’। ১৯৬১ সালের ঝড়ে পুরোনো কাঠের ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়, যা শেষ হয় ১৯৬৪ সালে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ভারতীয় বিমানবাহিনীর হামলায় গভর্নর হাউজ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্বাধীনতার পর ২৩ ডিসেম্বর এখানে বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠকে ভবনটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বঙ্গভবন’। একই সঙ্গে এটিকে রাষ্ট্রপতির বাসভবন ও কার্যালয় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

মাজার, মুঘল আমলের আবাস, নবাবের বাগানবাড়ি, ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট হাউজ ও পাকিস্তানি গভর্নর হাউজ—দীর্ঘ ইতিহাসের নানা ধাপ পেরিয়েই আজকের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের জন্ম।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, বাংলািপিডিয়া

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়