শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে কী কী পেল বাংলাদেশ? ◈ রাজধানীর কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ, নিষিদ্ধ সংগঠনের ৪ নেতাকর্মী আটক ◈ নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই বাজারে হাজার টন ইলিশ, দাম কত? ◈ ঢাকার যানজট নিরসনে ২৫৮ কিলোমিটার সাবওয়ে ও ৮৮ কিলোমিটার রিং রোড নির্মাণের পরিকল্পনা ◈ মানুষের শরীরে এআই দিয়ে তৈরি ভাইরাস প্রয়োগের দাবি বিজ্ঞানীদের, নেই গবেষণাপত্রে প্রমাণ ◈ ‌নিউইয়‌র্কে সরকারি অর্থ লোপাটের অভিযোগ, বিপুল সম্পদের মালিক একশ্রেণির প্রবাসী বাংলাদেশির দরজায় এফ‌বিআই  ◈ বৃহত্তম ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সাইবার হামলায় উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সন্দেহ ◈ যে কারণে শনিবার ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না কয়েকটি জেলায় ◈ জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বলেছেন, ‘কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেয়, আমি পালিয়ে আসি’: আরও যা জানালো পিবিআই (ভিডিও) ◈ এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগে চাপে গুগল-আমাজন-মাইক্রোসফট, মূল ব্যবসায় ক্ষতি ও ট্রিলিয়ন ডলারের ধাক্কা

প্রকাশিত : ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:১৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০ হাজার কোটি রুপিতে অত্যাধুনিক ৮টি স্টিলথ যুদ্ধজাহাজ বানাচ্ছে ভারত

ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য আটটি পরবর্তী প্রজন্মের করভেট (এনজিসি) নির্মাণে ৪০ হাজার কোটি রুপির বেশি ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটি (সিসিএস)। এতে নৌবাহিনীর ভূপৃষ্ঠ যুদ্ধজাহাজের বহরে উল্লেখযোগ্য সংযোজন ঘটবে। প্রকল্পের আওতায় নৌবাহিনী পাবে ছোট আকারের, দ্রুতগতির, বহুমুখী স্টিলথ যুদ্ধজাহাজের নতুন প্রজন্ম, যা ভারত মহাসাগর অঞ্চলজুড়ে অভিযান চালাতে সক্ষম।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সিসিএস এ সপ্তাহের শুরুতে প্রকল্পটি অনুমোদন করেছে বলে জানা গেছে। কলকাতাভিত্তিক গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই) এবং গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেডের (জিএসএল) সঙ্গে নির্মাণের চুক্তি শিগগিরই সই হবে বলে সরকার আশা করছে।

বড় অঙ্কের প্রতিরক্ষা সংগ্রহের ক্ষেত্রে চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে সিসিএসের অনুমোদন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। করভেটগুলো ২০৩০ সাল নাগাদ হস্তান্তর শুরু হওয়ার কথা। নতুন প্রজন্মের এ যুদ্ধজাহাজ হবে উচ্চগতির ও চটপটে, গতি হবে প্রায় ৩০ নট। নৌবাহিনীর নিজস্বভাবে তৈরি দেশীয় নকশার ওপর ভিত্তি করে জাহাজগুলো নির্মিত হবে।

করভেট কী

Advertisement

করভেট তুলনামূলক ছোট আকারের ভূপৃষ্ঠ যুদ্ধজাহাজ, যা সাধারণত ফ্রিগেট বা ডেস্ট্রয়ারের চেয়ে ছোট। তবে আধুনিক করভেট উপকূলীয় টহলের বাইরেও নানা ভূমিকা পালন করে। এগুলোয় উন্নত রাডার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা, জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের সরঞ্জাম থাকতে পারে।

এনজিসি কর্মসূচির লক্ষ্য একটি বহুমুখী যুদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যা সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ, সামুদ্রিক নজরদারি ও পুনরুদ্ধার, অনুসন্ধান ও আক্রমণ অভিযান, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং অন্যান্য প্রতিরোধ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা কার্যক্রমসহ নানা ভূমিকা পালন করতে পারবে।

ফলে জাহাজগুলো নৌবাহিনীর জাহাজবিধ্বংসী যুদ্ধ, সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ ও উপকূলীয় যুদ্ধের সক্ষমতা বাড়াবে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলজুড়ে আরও ভালো ও অবিরাম নজরদারি নিশ্চিত করবে এবং সামনের সারির বড় জাহাজগুলোর ওপর চাপ কমাবে। একই সঙ্গে এগুলো নৌবাহিনীর বর্তমান চারটি কামোর্তা-শ্রেণির করভেটের পরিপূরক হবে, যেগুলো মূলত সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধভিত্তিক।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

  • সর্বশেষ