শিরোনাম
◈ মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সুসংবাদ দিলেন দুই মন্ত্রী, পরিদর্শনে মিলল নতুন আশার আলো ◈ রাজধানীতে আগামীকাল ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ◈ অটোগ্যাসে বড় মূল্যবৃদ্ধি, লিটারে বাড়ল প্রায় ১১ টাকা ◈ আখতারুজ্জামানের জামিন নাকচ, আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের হাতাহাতি ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩০০ ◈ দিল্লিতে রিয়াজ-জয়শঙ্কর বৈঠক, অমীমাংসিত সংকট নিরসনে আলোচনায় জোর ◈ তৃণমূলের রাজ্যসভা আসনে এবার বিজেপির প্রার্থী কোয়েল মল্লিক ◈ ডেঙ্গুতে আরো ৬ প্রাণহানি, হাসপাতালে ২০৮৯

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:৩৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘সাময়িক ঝড় ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন মুছে দিতে পারবে না’

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর বলেছেন, দু’দেশের সম্পর্কে সাময়িক মেঘ বা ঝড় এলেও তা ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধনকে মুছে দিতে পারবে না।

রোববার (৪ অক্টোবর) বে অব বেঙ্গল কনফারেন্সে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এম জে আকবর বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই সভ্যতাগত রাষ্ট্র। বাংলাদেশের পরিচয় কোনো কৃত্রিমভাবে তৈরি রাষ্ট্রের পরিচয় নয়; বরং ভাষার শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি সভ্যতাগত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

তিনি বলেন, দু’দেশের সম্পর্কের মধ্যে উত্থান-পতন থাকবেই। দু’দেশের মধ্যে যেসব প্রশ্ন ও সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানের ক্ষেত্রে সবসময় শুধু ‘কী সম্ভব’ এই প্রশ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ‘কেন এটি অসম্ভব’ এই প্রশ্নটিও করতে হবে। তাহলেই নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে যেতে পারে।

সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে এম জে আকবর বলেন, সার্বভৌমত্ব যদি সম্মানিত না হয়, তাহলে বিশ্ব ক্রমবর্ধমান বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

advertisement

বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ ও সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো যুদ্ধকে অবৈধ বলা হলে তার উৎস ও পটভূমি খুঁজে দেখা জরুরি। বিংশ শতাব্দী ছিল তিনটি বিশ্বযুদ্ধের শতাব্দী। ঠান্ডা যুদ্ধকেও তিনি এক ধরনের বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করেন। ইউরোপে এটি হয়তো ঠান্ডা ছিল, কিন্তু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকায় এর প্রভাব মোটেও ঠান্ডা ছিল না। এসব সংঘাতকে বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়েছিল পুরো পৃথিবী সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল বলে নয়; বরং বিশ্বের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে পরাশক্তি ও সাম্রাজ্যগুলোর মধ্যে সংঘাত তৈরি হয়েছিল বলে।

একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধের ধরন আগের তুলনায় ভিন্ন বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ের যুদ্ধকে একটি একক বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে দেখা যায় না; বরং এটি বিশ্বব্যাপী চলমান ধারাবাহিক সংঘাত। এসব যুদ্ধ একটানা চলে না, পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হয়, কিন্তু পুরোপুরি থেমেও যায় না।

 

  • সর্বশেষ