শিরোনাম
◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন ◈ অক্টোবরে চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ◈ ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন: কূটনীতির কঠিন পরীক্ষায় বাংলাদেশ!

প্রকাশিত : ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত
আপডেট : ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের জন্য নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বজুড়ে তেহরানের আর্থিক স্বার্থগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। খবর আল জাজিরার।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেসেন্ট জানান, বিশ্বের কোনও দেশ ও কোম্পানিগুলো যেন তেহরানের সঙ্গে কোনও ধরনের ব্যবসা করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে তেলসহ ইরানের আয়ের সমস্ত উৎসকে লক্ষ্যবস্তু করবে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো তেহরান সম্পূর্ণ একঘরে না হওয়া পর্যন্ত এই স্বৈরাচারী শাসনকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক লাইফলাইন ছিন্ন করা।’

ইরানের কাছ থেকে তেল কেনা ও দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করার বিষয়ে ‘সহযোগীদের’ সতর্ক করেছেন বেসেন্ট। তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে। নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় তেহরানের বাণিজ্য অংশীদাররা ‘সেকেন্ডারি পেনাল্টি’ বা পরোক্ষ শাস্তির সম্মুখীন হতে পারে বলেও জোর দেন তিনি।

বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, ‘কেউই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে নয়।’

তিনি আরও বলেন, যদি কোনও দেশ বা সত্তা ‘লেনদেনে সহায়তা করে এবং এমন কোনো ইকোসিস্টেমের অংশ হয় যা ইরানের তেলকে অর্থে এবং সেই অর্থকে নিপীড়নের হাতিয়ারে রূপান্তর করে, তবে তাদেরকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’

ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার এই ক্যাম্পেইনের নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানিকে প্রতিহত করতে ফ্রান্সের উপকূলে মিত্রবাহিনীর ঐতিহাসিক ল্যান্ডিংয়ের সঙ্গে তুলনা করে বেসেন্ট একে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ বলেও অভিহিত করেছেন।

বেসেন্ট জানান, বিশ্বনেতাদের ফোন করে ‘ইরানের সরকারের সঙ্গে তাদের সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার অনুরোধ জানাচ্ছেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘যারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াবে, তারা আমাদের অংশীদারত্বের সুফল ভোগ করবে। আর যারা নিজেদেরকে ইরান সরকারের সঙ্গে যুক্ত রাখবে, তাদেরও একঘরে দশার ভাগীদার হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।’

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ‘ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি লাইফলাইনকে’ টার্গেট করা হয়েছে। সেগুলো হলো–ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল এবং নৌপরিবহন।

 

  • সর্বশেষ