শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২৬, ০৯:২৬ সকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৬৭ পয়সা কেজি দরে বিক্রি: ক্ষোভে নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে দিলেন যুবক

চাকরি ছেড়ে কৃষিতে ফিরেছিলেন ইঞ্জিনিয়ার যুবক। স্বপ্ন ছিল নিজের জমিতে ফসল ফলিয়ে ভাগ্য বদলাবেন। কিন্তু সেই ফসলের দাম জুটলো কেজিতে মাত্র ৬৭ পয়সা। শ্রমের দামটুকুও না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে ধ্বংস করেছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের সোলাপুরের এক কৃষক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

সোলাপুরের মোহল তহসিলের বেগমপুর গ্রামের বাসিন্দা লাখান মানে ২০১৬ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেন। বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়াতে বেছে নিয়েছিলেন চাষাবাদ। এবার দুই একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন তিনি। সোলাপুরের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে মাত্র ৫০ পয়সা দেখে একটু বেশি দামের আশায় ২০০ কিলোমিটার দূরে কোলহাপুর কৃষি পণ্য বিপণন কমিটিতে (এপিএমসি) গিয়েছিলেন লাখান।

লাখান জানান, গত ৮ মে তিনি ১০০ বস্তা পেঁয়াজ নিয়ে কোলহাপুরে যান। কিন্তু সেখান থেকে মোট ৩ হাজার ৭০০ টাকা হাতে পান তিনি। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় মাত্র ৬৭ পয়সা। লাখান ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘সোলাপুর বাজারে দাম কম দেখে অনেক আশা নিয়ে কোলহাপুর গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখান থেকে ফিরে হতাশ হয়ে নিজের জমির বাকি সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে দিয়েছি।’

লাখানের মতো একই দশা বার্শির আরেক কৃষকের। তিনি ২৭০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কোলহাপুরে এসে প্রতি কেজিতে মাত্র ১ রুপি দাম পেয়েছেন। কোলহাপুর এপিএমসির পেঁয়াজ বিভাগের প্রধান মনোজ সালুঙ্খে জানান, ওই কৃষকের পেঁয়াজ নিম্নমানের ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় কোনও ব্যবসায়ী তা কিনতে চাইছিলেন না। শেষ পর্যন্ত কৃষক অনুরোধ করায় কেজি প্রতি ১ রুপি দরে কেনা হয়েছে, যা মূলত আবর্জনার ঝুড়িতেই যাবে।

মনোজ সালুঙ্খে বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের পেঁয়াজের দামও কেজি প্রতি ১২-১৩ রুপির ওপরে উঠছে না। যুদ্ধ ও অন্যান্য কারণে রফতানিতে বিধিনিষেধ থাকায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ অনেক বেড়ে গেছে। সাধারণত বছরের এই সময়ে কেরালাসহ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে ব্যাপক চাহিদা থাকে, কিন্তু এবার ব্যবসায়ীরা কোনও অর্ডার দিচ্ছেন না।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ