শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:১৪ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শক্তিশালী কেবল-কাটার প্রযুক্তি উন্মোচন, বিশ্ব ব্যবস্থার ভারসাম্যে পরিবর্তনের আশঙ্কা চীনের নতুন পদক্ষেপ

বিশ্বের সামুদ্রিক ভূ-রাজনীতিতে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে চীন। সম্প্রতি দেশটি গভীর সমুদ্রের তলদেশে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ‘কেবল-কাটার’ বা তার কাটার যন্ত্র উন্মোচন করেছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই যন্ত্রটি সমুদ্রের তলদেশে থাকা বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং শক্তিশালী যোগাযোগ বা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনগুলো মুহূর্তেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে সক্ষম।

হংকং ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রথম কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এমন প্রযুক্তির অস্তিত্বের কথা স্বীকার করল, যা বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ও ডেটা সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

advertisement

অসাধ্য সাধনে সক্ষম এই প্রযুক্তি:

চীনা বিজ্ঞানীদের তৈরি এই ক্ষুদ্রাকৃতির যন্ত্রটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪,০০০ মিটার (প্রায় ১৩,১২৩ ফুট) গভীরে গিয়ে কাজ করতে পারে। বর্তমানে বিশ্বে প্রচলিত সাবমেরিন কেবলগুলো সাধারণত যে গভীরতায় থাকে, এই যন্ত্রটি তার চেয়েও দ্বিগুণ গভীরতায় গিয়ে সেগুলো কেটে ফেলতে সক্ষম। এতে স্টিল, রাবার এবং বিশেষ পলিমারের কঠিন আবরণযুক্ত সাঁজোয়া কেবলও সহজেই কাটা যাবে।

advertisement

কেন বাড়ছে আতঙ্ক?

সারা বিশ্বের ৯৫ শতাংশ ডেটা আদান-প্রদান হয় সমুদ্রের তলদেশের এসব কেবলের মাধ্যমে। যদিও চীন দাবি করছে, এটি মূলত বেসামরিক উদ্ধারকাজ এবং সমুদ্রের তলদেশে খনিজ উত্তোলনের জন্য তৈরি করা হয়েছে, তবে বিশেষজ্ঞরা একে সামরিক ক্ষেত্রে গেম-চেঞ্জার হিসেবে দেখছেন। কোনো ভূ-রাজনৈতিক সংকটের সময় যদি চীন কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে (যেমন গুয়াম বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল) এই যন্ত্র ব্যবহার করে কেবল বিচ্ছিন্ন করে দেয়, তবে মুহূর্তেই থমকে যেতে পারে আমেরিকা বা পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক ও বেসামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।

advertisement

চীনের 'চায়না শিপ সায়েন্টিফিক রিসার্চ সেন্টার' (CSSRC) এই যন্ত্রটি তৈরি করেছে। এটি চীনের অত্যাধুনিক চালকযুক্ত এবং চালকবিহীন সাবমার্সিবল যেমন— 'ফেনদৌজে' (Striver) বা 'হাইদু' সিরিজের সাথে যুক্ত করে ব্যবহার করা যাবে।

বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই নতুন অস্ত্র বিশ্ব ব্যবস্থার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে এবং সমুদ্রতলের এই অদৃশ্য যুদ্ধ ভবিষ্যতে এক নতুন বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করতে পারে।

  • সর্বশেষ