শিরোনাম
◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬ ◈ শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, বাজেট নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৪৩ রাত
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খনিজ খাতে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্যে পাকিস্তান ও চীনের ‘ই-মাইনিং প্ল্যাটফর্ম’ চালু করছে দু’দেশ

পাকিস্তান ও চীনের অংশীদারিত্ব এখন একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। এই যুগ কেবল অবকাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং উৎপাদন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান ও টেকসই উন্নয়নে কেন্দ্রীভূত। এ কথা বলেছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল। দ্য নিউজ’কে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন জিও নিউজ।

বুধবার অনুষ্ঠিত চীন-পাকিস্তান খনিজ সহযোগিতা ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে আহসান ইকবাল বলেন, পাকিস্তান ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অংশীদারিত্ব ধারাবাহিকতা, আস্থা ও কৌশলগত গভীরতার এক উজ্জ্বল উদাহরণে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) জ্বালানি, সড়ক অবকাঠামো, গোয়োদার বন্দর ও জাতীয় সংযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে পাকিস্তানের উন্নয়ন চিত্র সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। এ অনুষ্ঠানে পাকিস্তান ও চীন যৌথভাবে ‘পাক-চীন ই-মাইনিং প্ল্যাটফর্ম’ চালু করে। এটি একটি ডিজিটাল উদ্যোগ, যার লক্ষ্য পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ও চীনা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান, প্রকল্প সংযোগ এবং সহযোগিতা জোরদার করা। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাকিস্তানের খনিজ খাতে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ উন্মুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আহসান ইকবাল বলেন, সিপিইসি ২.০ পাকিস্তানের জাতীয় অর্থনৈতিক রূপান্তর কাঠামো ‘উড়ান পাকিস্তান’-এর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে পাকিস্তানকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করা। তিনি জানান, সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়