শিরোনাম
◈ জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা ◈ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ◈ খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ◈ স্বর্ণের ভরি কি খুব শিগগিরই ৩ লাখ টাকা ছাড়াবে? ◈ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বিরোধে বাংলাদেশকে কেন সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তান? ◈ ২০২৯ সা‌লের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী ব্রাজিল ◈ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ: অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে নির্বাচনি প্রচার ◈ জামায়াত হিন্দুদের জামাই আদরে রাখবে, একটা হিন্দুরও ভারতে যাওয়া লাগবে না : জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী (ভিডিও) ◈ মার্চে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ  ◈ বিশ্বকাপ থে‌কে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া ক্রিকেটের জন্য বাজে দৃষ্টান্ত : এ‌বি ডি ভিলিয়ার্স

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:৩০ দুপুর
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে হাইকোর্টের হুঁশিয়ারি

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অরক্ষিত অংশে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ দ্রুত শেষ করতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। 

সীমান্ত সুরক্ষায় জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে আদালত আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফ-এর কাছে জমি হস্তান্তরের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। মূলত যে সমস্ত জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ইতোমধ্যে অর্থ প্রদান করেছে, সেই জমিগুলোই বিএসএফ-এর কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের একটি বড় অংশ অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে, যা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের অভিযোগ ছিল যে, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার জমি হস্তান্তরে বিলম্ব করছে। 

এই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ প্রদান করেন।

শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং জানতে চান, জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কেন দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে না। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র 'সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট' বা সামাজিক প্রভাব মূল্যায়নের অজুহাত দেখিয়ে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা গ্রহণযোগ্য নয়। আন্তর্জাতিক সীমানার স্পর্শকাতরতা বিবেচনায় রাজ্যের এই নির্লিপ্ততাকে উদ্বেগজনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিচারপতিরা।

আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্র ইতোমধ্যে রাজ্যকে অর্থ দিয়েছে। এছাড়া যে সমস্ত এলাকায় এখনো মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া যায়নি, সেখানে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে অধিগ্রহণ সম্ভব কিনা, তা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় পক্ষকেই হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়