শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া ◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৪৭ সকাল
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে অতিদারিদ্রের সংখ্যা ৬৮ লাখ, ৫৩ শতাংশ বাংলাদেশি

বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশ যুক্তরাজ্যে দারিদ্র্য আরও বেড়েছে। বর্তমানে সেখানে ৬৮ লাখ মানুষ অতিদারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন। যা গত তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন (জেআরএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে যেসব মানুষ অতিদরিদ্র তাদের মধ্যে বাংলাদেশি (৫৩%) ও পাকিস্তানিদের (৪৯%) মধ্যে অতিদরিদ্রের হার বেশি। খবর রয়টার্সের। 

ব্রিটেনে ‘অতিদরিদ্র’ বলতে বোঝায় এমন পরিবারকে, যাদের বাড়ি ভাড়া দেওয়ার পর হাতে থাকা টাকা ব্রিটেনের জাতীয় গড় আয়ের তুলনায় অনেক কম। যেমন- দুই সন্তানসহ একটি পরিবারের সারা বছরের আয় যদি ১৬ হাজার ৪০০ পাউন্ডের নিচে হয়, তবে তারা এই অতিদরিদ্র শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এর অর্থ ব্রিটেনে বসবাসরত বেশির ভাগ বাংলাদেশি পরিবারের আয় গড় আয়ের (৪০%) তুলনায় কম।

যুক্তরাজ্যে দারিদ্র্য কমানোর লক্ষ্যে পরিচালিত এ গবেষণায় জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ব্রিটেনে সামগ্রিক দারিদ্র্যের হার কমেছে। যেখানে ১৯৯৪-৯৫ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪ শতাংশ। সেখানে ২০২৩-২৪ সালে সেটি ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে, অতিদরিদ্রের হার ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক মানুষই দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে।  এছাড়া শিশু দারিদ্র্যের হারও বেড়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ শিশু দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হচ্ছে। গত তিন বছর ধরে টানা দরিদ্র শিশুর সংখ্যা বেড়েছে।

২০১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নিুআয়ের যেসব পরিবার দুই সন্তানের বেশি সন্তান নেবে, তারা সরকারি সামাজিক সুরক্ষা সহায়তা পাবে না। তবে গত এপ্রিলে এই নিয়ম বাতিল করেন বর্তমান অর্থমন্ত্রী র‌্যাচেল রিভস।

Advertisement

জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। তবে শুধু এটিই শিশু দারিদ্র্য কমাবে না বলে তারা সতর্ক করেছে। সংস্থাটি বলেছে, দারিদ্র্যের সবচেয়ে বড় শিকার শিশুরা। এরপর রয়েছেন শারীরিক প্রতিবন্ধীরা। অন্যদিকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার খুবই বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু সংখ্যালঘু জাতিগত গোষ্ঠীর মাঝে দারিদ্র্যের হার খুবই বেশি। বিশেষ করে, ২০২১-২৪ সালে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অর্ধেকেরও বেশি (৫৩%) এবং পাকিস্তানিদের প্রায় অর্ধেক (৪৯%) পরিবার দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করত। এসব পরিবারের শিশুদের জন্য দারিদ্র্যের মাত্রা আরও বেশি (যথাক্রমে ৬৫% এবং ৬০%)।

দারিদ্র্যবিরোধী সংস্থা বিগ ইস্যুর প্রতিষ্ঠাতা জন বার্ড এ প্রতিবেদনকে ‘সমাজের জন্য বড় দুঃসংবাদ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ