শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৪৫ দুপুর
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সৌদি যুবরাজের মন বদল, ৫০০ বিলিয়ন ডলারের নিওম প্রকল্প নিয়ে নতুন ভাবনা

সৌদি আরবের উচ্চাভিলাষী ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মেগাসিটি প্রকল্প ‘নিওম’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে এই প্রকল্পের মূল আকর্ষণ ‘দ্য লাইন’ শহরটি এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আর্থিক চাপ ও ধীরগতির কারণে এই বিশাল নগরীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডাটা সেন্টার হাবে রূপান্তর করার কথা ভাবছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। 

ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মরু শহরটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এটি আধুনিক জীবনযাত্রার সংজ্ঞাই বদলে দেওয়ার কথা ছিল। তবে বিশাল এই কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তার বিপরীতে তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং অন্যান্য মেগা প্রজেক্ট যেমন ২০৩০ সালের এক্সপো ও ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের খরচ মেটাতে গিয়ে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে দেশটি।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দ্য লাইনের অবকাঠামো এখন ভিন্নভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১৬ কিলোমিটার কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও সেটি এখন কমিয়ে মাত্র ২.৪ কিলোমিটারে নামিয়ে আনা হয়েছে। যদিও ভবনগুলোর উচ্চতা কমিয়ে খরচ বাঁচানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তবে ক্রাউন প্রিন্স তা নাকচ করে দিয়ে নকশা অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এর বাইরেও পরিবেশবিদরা এই বিশাল অবকাঠামো নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, মরুভূমির বুকে এমন দানবীয় স্থাপনা স্থানীয় আবহাওয়া এবং জলবায়ুর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। 

সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ