ডলারের মূল্য গেল চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন, এটি দারুণ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) একটি সভায় ট্রাম্পকে এক সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেন, মুদ্রাটির দর কি অতিরিক্ত কমে গেছে? জবাবে ট্রাম্প বলেন, এটি দারুণ। তার এই মন্তব্য গ্রিনব্যাকের ওপর চাপ আরও বাড়ায়। খবর-রয়টার্স
ডলারের সাম্প্রতিক দর কমার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার আরও কমানোর প্রত্যাশা, শুল্ক (ট্যারিফ) নিয়ে অনিশ্চয়তা, নীতিগত অস্থিরতা—যার মধ্যে ফেডের স্বাধীনতা নিয়ে হুমকি এবং ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতি। এসব কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষুণ্ন করেছে।
দুর্বল ডলার যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিকারকদেরও উপকারে আসতে পারে। তবে ট্রাম্প বলেন, তিনি ডলারের মূল্য আরও কমে যাক—এমনটি চান না। তিনি বলেন, ‘আমি চাই এটি নিজের স্বাভাবিক স্তরই খুঁজে নিক। আইওয়ায় এক ভাষণের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
এ ভাষণে অর্থনৈতিক বিষয়গুলোই প্রাধান্য পাওয়ার কথা। বিষয়টি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে গ্রামীণ ভোটব্যাংককে সক্রিয় করতে চাইছেন ট্রাম্প। ডলারের মূল্য খুব বেশি কমে গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি মনে করি, ডলার দারুণ অবস্থানেই আছে। ডলারের মূল্য ডলার ভালোই করছে।’
ট্রাম্পের এসব মন্তব্যের পর ডলার সূচকে (ডলার ইনডেক্স) পতন আরও ত্বরান্বিত হয়। ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের শক্তি পরিমাপকারী এই সূচক সেশনের সর্বনিম্ন ৯৫ দশমিক ৫৬৬-এ নেমে আসে, যা ফেব্রুয়ারি ২০২২-এর পর সর্বনিম্ন।