মনিরুল ইসলাম : ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়া কথিত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীন। মাকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেছেন, ইউটিউবে যারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছেন, তাদের বিচার হওয়া উচিত। অন্যদিকে, স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চিত্রনায়ক ওমর সানীও।
আজ বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর ফারদিনের বক্তব্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে মাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি।
মাকে নিয়ে ছড়ানো খবরের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আব্বু, যদি আমাকে একটা ফোন দেয়, আমি সবকিছু ফেলে দাঁড়িয়ে যাই। ছোটবেলা থেকে আম্মুকে ভয় পাই। আর নিউজ করেছে, আমি নাকি আমার আম্মুকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছি!’
ফারদিনের বক্তব্যে মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও তাঁকে নিয়ে ছড়ানো খবরের কারণে সৃষ্ট ক্ষোভের বিষয়টি উঠে এসেছে।
কী নিয়ে এই বিতর্ক?
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ছড়িয়ে পড়ে, মৌসুমীর সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়ে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন ছেলে ফারদিন। তবে এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ওমর সানী।
ওমর সানীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের ছেলে ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে এবং মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তাঁদের কোনো সম্পত্তি নেই বলেও দাবি করেছেন এই অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য, মৌসুমীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার খবরটি ভিত্তিহীন।
এ ধরনের সংবাদ প্রচারের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ওমর সানী। তাঁর অভিযোগ, পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে একশ্রেণির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী ভিউ ও জনপ্রিয়তা অর্জনের চেষ্টা করছেন।
‘শয়তান শয়তানের কাজ করেছে’
মাকে নিয়ে কথিত মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে ফারদিন আরও বলেন, ‘আব্বু তোমাকে একটা কথা বলি, শয়তান শয়তানের কাজ করেছে। ইউটিউবে যে সব কুত্তা এই মিথ্যা নিউজ করেছে, তার বিচার হবে ইনশাআল্লাহ।’
ফারদিনের এই বক্তব্যে মাকে নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তাঁর দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কেউ আলোচনা করলেও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার গ্রহণযোগ্য নয়।