শিরোনাম
◈ অনলাইন বিজ্ঞাপনের আড়ালে ইসরায়েলের বিশ্বজুড়ে নজরদারি, বাদ যায়নি পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও ◈ ল্যাবে তৈরি ভয়ংকর মাদক ‘কুশের’ ভয়ংকর বিস্তার, আসক্ত হচ্ছে শিক্ষিত তরুণরা ◈ সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের নির্দেশ ◈ দেশভাগের ৭৯ বছর পর ব্রহ্মপুত্র দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠাল ভারত ◈ জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হতে যাচ্ছে ভারত: আইএমএফ ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ◈ মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগ, অনুমোদন পাচ্ছে ৩৩৮ এজেন ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:২১ রাত
আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহেশপুরে আউটসোর্সিং কর্মীদের নিয়োগপত্রে ঘুষ দাবির অভিযোগ

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটসোর্সিং পদে নিয়োগপত্র দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হেলেনা আক্তার নিপার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক),ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মচারী শাকিল আহম্মেদ। তবে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাকিল আহম্মেদ ২০২২ সাল থেকে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকমশালচি পদে কর্মরত রয়েছেন। প্রতি বছর নিয়োগপত্র নিয়ে কাজ করতে হয়। তবে চলতি অর্থবছরে এখনো নিয়োগপত্র পাননি তিনি।

অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়োগপত্র নিতে গেলে তাঁর কাছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারলে কাজে না আসার কথাও বলা হয়েছে বলে দাবি করেন শাকিল।

Advertisement

শাকিল আহম্মেদের অভিযোগ, হাসপাতালের আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত আটজন কর্মচারীর কাছেই নিয়োগপত্র দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করা হচ্ছে। যারা টাকা দিতে পারছেন, তাঁদের নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে; আর যারা দিতে পারছেন না,তাঁরা নিয়োগপত্র পাচ্ছেন না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পান্না খাতুন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে আয়া পদ থেকে টিকিট ক্লার্ক পদে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। এ বিষয়ে তাঁর কাছে পান্নার স্বীকারোক্তি রয়েছে বলেও দাবি করেন শাকিল।

এদিকে, শিমু খাতুন নামে এক টিকিট ক্লার্ক অভিযোগ করেন, তাঁর কাছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনি ৪০ হাজার টাকা দেন। বাকি টাকা দিতে না পারায় তাঁকে নিয়োগপত্র না দিয়ে ওই পদে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তাঁর দেওয়া টাকা ফেরত দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

শাকিল আরও জানান,স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতাল পরিদর্শনে এলে আউটসোর্সিং কর্মচারীরা নিয়োগপত্র পেতে ঘুষ দাবির বিষয়টি তাঁকে অবহিত করেন। তখন মন্ত্রী কাউকে ঘুষ না দিতে এবং ঘুষ দাবি করা হলে তাঁকে জানানোর পরামর্শ দেন বলে দাবি করেন শাকিল।
শাকিল বলেন এর আগে নিয়োগ পেতে কাউকে কোন ঘুষ দিতে হয়নি। হেলেনা আক্তার নিপা স্যার যোগদানে পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজসে একের পর এক অনিয়ম করে যাচ্ছে। নিয়োগপত্র পেতেও আউটসোর্সিং পদের কর্মচারীদেরকে টাকা দিতে হচ্ছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আল ওয়াফা সিকিউরিটি সার্ভিসের সত্বাধীকারী মনিরুল ইসলামের সাথে ফোনকলে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। এরপর একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হেলেনা আক্তার নিপার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তিনি  বলেন আউটসোর্সিং পদে নিয়োগ দিয়ে থাকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান যদি নিয়োগের ক্ষেতে কারো কাছে টাকা পয়সা চেয়ে বা নিয়ে সেটা তাদের ব্যপার।

ঝিনাইদহ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, আউটসোর্সিং পদে নিয়োগ দিয়ে থাকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। আমাদের সাথে টাকা পয়সা লেনদেনের কোন সুযোগ নেই। যদি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা টাকা লেনদেনে সাথে জরিত থাকে তাহলে বিষটি তদন্ত পূর্বব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ