শিরোনাম
◈ শনিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ শ‌নিবার শুরু দ্বিতীয় টেস্ট, জিত‌লে ইতিহাস গড়বে  বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানো ◈ শনিবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন রাষ্ট্রপতি ◈ তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলে এবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ◈ গঙ্গা চুক্তিসহ নদী ইস্যুতে বাংলাদেশ-ভারত আলোচনা চলছে: রণধীর জয়সওয়াল ◈ মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ◈ রাষ্ট্রপতি কার্যালয়সহ ৩ সচিব পদে রদবদল ◈ বিশ্বকাপ ফাইনালে মারামারি: ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ পারেদেস, আর ৭ ম্যাচ মোলিনা ◈ নতুন পাঁচজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন? ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০২৬, ০৯:৪৩ সকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কৌশলে পাকিস্তানের পতাকা প্রদর্শন এড়িয়েছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার

দেশের পাপেটশিল্পের পথিকৃৎ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার শুধু শিল্পী নন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধেরও একজন নীরব সংগঠক ছিলেন।

তৎকালীন ডিআইটি টেলিভিশন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত থাকা অবস্থায় ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ, পাকিস্তান দিবসে, সম্প্রচার শেষে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের নিয়ম এড়িয়ে যেতে একটি কৌশল নিয়েছিলেন তিনি।

তখন নিয়ম ছিল, রাত ১০টায় সম্প্রচার শেষ হলে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা দেখিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হবে। কিন্তু সেদিন পরিকল্পিতভাবে সম্প্রচারের সময় বাড়িয়ে রাত ১২টা পর্যন্ত নেওয়া হয়। ওই সময়জুড়ে প্রচার করা হয় দেশাত্মবোধক গান ও বিশেষ অনুষ্ঠান। ফলে ২৩ মার্চ শেষ হয়ে যায় এবং পতাকা প্রদর্শনের নির্ধারিত সময়ও পেরিয়ে যায়।

পরে দায়িত্বে থাকা এক পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তার প্রশ্নের মুখে সম্প্রচার দীর্ঘায়িত হওয়ার ব্যাখ্যাও দেন মুস্তাফা মনোয়ার। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্প্রচার সমাপ্ত করা হয়।

মুস্তাফা মনোয়ার পরে বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণে উল্লেখ করেছেন, ওই ঘটনার পরদিন থেকেই তিনি আর টেলিভিশন কেন্দ্রে ফিরে যাননি।

স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন–এর মতো প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। শিল্প, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতির বিকাশে রেখে যান গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

আজ তার মৃত্যুতে তাকে স্মরণ করা হচ্ছে এমন একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে, যিনি শিল্পচর্চার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধেও সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়