শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের সঙ্গে পারমাণবিক সহযোগিতা পুনরায় শুরু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ◈ টাঙ্গুয়ার হাওরে নতুন বিধিনিষেধ, কোন এলাকা পর্যন্ত চলবে পর্যটকবাহী নৌযান? ◈ আগামী সপ্তাহে খুলছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস লেন ◈ সংবিধানে বড় রদবদলের পথে সরকার, আজ বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও) ◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৪৮ বিকাল
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৯৪ বছর বয়সে মারা গেলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরাম

হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরাম আর নেই। শনিবার (৪ অক্টোবর) ৯৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রী ছিলেন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা ভি শান্তরামের স্ত্রী।

বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের তথ্য-প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আশিস শেলার।

ইন্সটাগ্রামের এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি! ‘পিঞ্জরা’ সিনেমার প্রসিদ্ধ অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরামজির প্রয়াণের খবর অত্যন্ত দুঃখজনক। হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে তাঁর অদ্বিতীয় অভিনয় ও নৃত্যশৈলী এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল। তাঁর ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’, ‘দো আঁখেন বারাহ হাত’ ও বিশেষ করে ‘পিঞ্জরা’ ছবির অভিনয় দর্শকদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ঈশ্বর তাঁর আত্মার চিরশান্তি দান করুন।

‘মুম্বাই তাক’-এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, সন্ধ্যা শান্তরামের মরদেহ প্যারেলের রাজকমল স্টুডিও থেকে নেওয়া হবে এবং শিবাজি পার্কের বৈকুণ্ঠধামে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

১৯৫১ সালে মারাঠি চলচ্চিত্র ‘ভূপালী’ দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন সন্ধ্যা শান্তরাম। এরপর ১৯৫৫ সালের মিউজিক্যাল ড্রামা ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’-তে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। প্রশিক্ষিত শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে তাঁর কথক নৃত্য এবং পর্দায় উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি উপহার দিয়েছেন একের পর এক স্মরণীয় ছবি—‘দো আঁখেন বারাহ হাত’, ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’, ‘নাভারং’, ‘সেহরা’ ও ‘পিঞ্জরা— যা আজও দর্শকদের মনে অমলিন। সূত্র: কালের কণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়