শিরোনাম
◈ চেয়ার-সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন নয়: হাইকোর্টের নির্দেশ ◈ মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ◈ ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা চুক্তি পর্যালোচনার আগে কেন সরব বিহার? ◈ যেভাবে শিক্ষক পরিবারের চারজনকে হত্যা করে ডাকাতির নাটক সাজায় দুই যুবক ◈ ‘দলগুলোর সদিচ্ছা থাকলে সহিংসতামুক্ত স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব’ ◈ হাসিনাকে ঘিরে আটকে আছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিকের উদ্যোগ, অচলাবস্থা কাটবে কীভাবে? ◈ স্বামীর করা যৌতুক মামলায় স্ত্রী কারাগারে ◈ হ‌কি বিশ্বকাপ থে‌কে ভারতের বিদায়, ১২ বছর পর সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা  ◈ বি‌শ্বের বর্তমান ও সা‌বেক তারকা ফুটবলাররা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ চান  ◈ জাপানি ভাষা শিখে বিনা খরচে বিদেশে চাকরির সুযোগ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের: মাহ্‌দী আমিন

প্রকাশিত : ১৪ জুন, ২০২৬, ০৫:১৯ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০ হাজার পদ শূন্য, আরও ৪৭ হাজার নিয়োগ আটকে: বড় চ্যালেঞ্জে শিক্ষা খাত

আইনি জটিলতায় প্রায় ৮৭ হাজার শিক্ষক পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া আটকে আছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাখাতে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য। বিচারাধীন মামলা ও বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ৪৭ হাজার শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া আটকে আছে। সবমিলিয়ে প্রায় ৮৭ হাজার পদে আমরা নিয়োগ-পদোন্নতি দিতে পারছি না। এটি এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রবিবার ঢাকায় একটি হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের শিক্ষা খাত বিশ্লেষণ’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিচারাধীন মামলার কারণে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট প্রায় ৮৩ হাজার মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। এ কারণে অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।

অন্তর্বর্তী সরকার তড়িঘড়ি করে প্রাথমিকে সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের তৎপরতা চালায় দাবি করে তিনি বলেন, “আমি জানি না কেন তারা এত তাড়াহুড়ো করে রাতারাতি শিক্ষকদের নির্বাচন করেছে। তাই তাদের গুনমান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আপনারা একদিকে পর্যালোচনা করছেন, অন্যদিকে আমরা তাদের প্রশিক্ষণে পাঠাচ্ছি এবং দুই বছরের জন্য তাদের প্রো-কন্ট্রাক্টে নিয়োগ দিচ্ছি।

শিক্ষাক্রমে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত হচ্ছে জানিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের আনন্দের সঙ্গে পাঠদানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে।

প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার রোধে স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণ, মিড ডে মিলসহ নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পাশাপাশি স্যানিটেশন সমস্যার সমাধানেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতের সব সময়ের চেয়ে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে, যা মোট বাজেটের ২ শতাংশ। তবে আমাদের লার্নিং আউটকাম বা শিক্ষার ফল এখনও সন্তোষজনক নয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এতে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরীসহ শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

 

  • সর্বশেষ