শিরোনাম
◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল বিজয়ী ◈ সরকারি কর্মচারীদের বাসা সাবলেট বন্ধের নির্দেশ, ভাড়াটিয়া সরানোর শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ◈ সাঁতারে দ্বিতীয় দি‌নে ৮ রেকর্ড ◈ আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে শেখ হাসিনার আবেদন ◈ কর্ণফুলী নদীতে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল-স্টেইড সেতু ◈ যান্ত্রিক ত্রুটি সারানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান ◈ প্রথম সেটে ধাক্কা, ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সোনা জয় ◈ কে এই তাহসিফ সাউরি, তাকে নিয়ে কেন এত আলোচনা? বিমানবাহিনী থেকে অবসর কেন? ◈ বাসা থেকে তাহসিফকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মুখ খুললেন দীপ, মিলল সিসিটিভি ফুটেজ ◈ মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে হা‌রি‌য়ে জু‌নিয়র বিশ্বকা‌পের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ০১ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাধ্যমিক শিক্ষায় প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার বেড়েছে, তবে মান ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে

বণিক বার্তা প্রতিবেদন: দেশের মাধ্যমিক স্তরে বিগত দুই বছরের তুলনায় প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার বেড়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, এ স্তরে মোট শিক্ষক রয়েছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫১৮ জন। তাদের মধ্যে ৭১ দশমিক ৮৬ শতাংশই প্রশিক্ষিত, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। তবে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার বাড়লেও প্রশিক্ষণের মান এবং শিক্ষকদের দক্ষতা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন।

ব্যানবেইসের জরিপে প্রশিক্ষিত শিক্ষক হিসেবে বিএড-এমএড ডিগ্রিধারীদের বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে এসব প্রফেশনাল ডিগ্রির জন্য ১৪টি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি) এবং ৯০টি বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েও (বাউবি) শিক্ষকদের জন্য রয়েছে বিএড-এমএড কোর্স।

বাংলাদেশের মাধ্যমিক শিক্ষা নিয়ে ২০২৩ সালে একটি জরিপ করে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। ওই জরিপের প্রতিবেদনে দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে অপর্যাপ্ত ও মানহীন শিক্ষক প্রশিক্ষণকে উল্লেখ করা হয়। তাতে আরো উল্লেখ করা হয়, বাউবিতে সপ্তাহে একদিন অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিএড ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দেয়ায় শিক্ষকদের বড় অংশই টিচার্স ট্রেনিং কলেজের তুলনায় ওই প্রতিষ্ঠানটিকেই বেছে নেন। সেই সঙ্গে দক্ষতা অর্জনের চেয়ে ডিগ্রি অর্জন, অর্থাৎ সার্টিফিকেটকেই বেশি প্রাধান্য দেন প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, সরকারিভাবে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করলেও এসব প্রশিক্ষণে প্রধানত শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা এবং পাঠদান পদ্ধতি সম্পর্কে শেখানো হয় এবং বিষয়ভিত্তিক কনটেন্ট সম্পর্কে খুবই কম প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানের বছরে মাত্র ছয় হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান সম্ভব, যা মোট শিক্ষকের সংখ্যার তুলনায় খুবই কম এবং এ সীমাবদ্ধতা দক্ষ শিক্ষক তৈরি করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

Advertisement

ব্যানবেইসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে টিটিসিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ হাজার ৩৯৫। তাদের মধ্যে ১৪টি সরকারি টিটিসিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১ হাজার ৪৬৩। যদিও এসব কলেজে আসন আছে প্রায় সাত হাজার। আর বেসরকারি টিটিসিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯ হাজার ৪১৯। সরকারি টিটিসিগুলোর দাবি বেসরকারি টিটিসিগুলো তুলনামূলক সহজে ডিগ্রি প্রদান করাতেই শিক্ষকরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ডিগ্রি অর্জনে বেশি আগ্রহী।

তবে এসব প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি নিয়ে অসন্তোষ আছে শিক্ষক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মধ্যেও। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাবকে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করছেন দেশের শিক্ষাবিদরাও।