শিরোনাম
◈ ভূমি অফিসে অনিয়ম ঠেকাতে আসছে ডিজিটাল মনিটরিং ◈ বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধের শহীদ’ বলা জামায়াত এমপির জন্ম ১৯৮১ সালে ◈ ইরান কেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিকে বিজয় হিসেবে দেখছে ◈ এল নিনোর প্রভাবে বাংলাদেশে তাপপ্রবাহ, খরা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি! ◈ এনআরবিসি ব্যাংক অর্থ লুটপাট লুকা‌তে মুছে ফেলেছে ১১ লাখ তথ্য ◈ লেবান‌নে শিশু হত‌্যা বন্ধ না হ‌লে ইসরা‌য়েল‌কে ক‌ঠোর জবাব দে‌বে ইরান ◈ এক ম্যাচ খেলেই ইরানি ফুটবলারের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার মেয়াদ শেষ ◈ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নাম কেন কালো তালিকায় ছিল কারণ জানালো হিন্দুস্তান টাইমস! ◈ বিশ্বকাপজয়ী সা‌বেক ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের কড়া সমালোচনা কর‌লেন ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোন পথে এগোচ্ছে বিএনপি?

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২৩৭ কলেজের অধ্যক্ষকে মাউশির শোকজ

‎বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ই-রিকুইজিশনে (শূন্য পদের চাহিদা) ভুল তথ্য দেওয়া এবং যাচাইয়ের জন্য যথাসময়ে তথ্য না দেওয়ায় দেশের ২৩৭টি কলেজের অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

‎আজ মঙ্গলবার মাউশির কলেজ শাখা-৩ (বেসরকারি কলেজ) থেকে প্রকাশিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

‎অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভুল চাহিদা দেওয়ার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে ভুল পদে নিয়োগ পেয়ে প্রার্থীরা এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

‎অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি শিক্ষা অঞ্চলের মোট ২ হাজার ৩৩৭টি কলেজ পর্যায়ের শূন্যপদের তথ্য যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ১০০টি পদের চাহিদা সঠিক পাওয়া গেলেও ২৩৭টি পদের চাহিদা ভুল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

‎প্রতিবেদনে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কলেজগুলো থেকে, যেখানে ১২১টি পদে ভুল চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল অঞ্চলে ৩৯টি, খুলনা অঞ্চলে ৩৮টি, রাজশাহী অঞ্চলে ১৪টি, রংপুর অঞ্চলে ১১টি, ঢাকা অঞ্চলে ৫টি, সিলেট অঞ্চলে ৪টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩টি এবং কুমিল্লা অঞ্চলের কলেজগুলোতে ২টি পদের ভুল চাহিদা দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে শিক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভুল চাহিদার বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—প্যাটার্ন বহির্ভূত পদে চাহিদা দেওয়া, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাম্য শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও চাহিদা পাঠানো, সংশ্লিষ্ট পদের বিপরীতে মামলা চলমান থাকলেও ই-রিকুইজিশন দেওয়া, শিক্ষক প্রাপ্যতা না থাকার পরও চাহিদা দেওয়া এবং যাচাইয়ের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে যথাসময়ে তথ্য সরবরাহ না করা।

‎মাউশি জানিয়েছে, ভুল চাহিদা প্রদান এবং তথ্য সরবরাহ না করায় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১-এর ১৮.১ (ঘ) মোতাবেক কেন সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হবে না, তার জবাব চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গভর্নিং বডির সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে মতামত পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়