শিরোনাম
◈ চেয়ার-সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন নয়: হাইকোর্টের নির্দেশ ◈ মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ◈ ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা চুক্তি পর্যালোচনার আগে কেন সরব বিহার? ◈ যেভাবে শিক্ষক পরিবারের চারজনকে হত্যা করে ডাকাতির নাটক সাজায় দুই যুবক ◈ ‘দলগুলোর সদিচ্ছা থাকলে সহিংসতামুক্ত স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব’ ◈ হাসিনাকে ঘিরে আটকে আছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিকের উদ্যোগ, অচলাবস্থা কাটবে কীভাবে? ◈ স্বামীর করা যৌতুক মামলায় স্ত্রী কারাগারে ◈ হ‌কি বিশ্বকাপ থে‌কে ভারতের বিদায়, ১২ বছর পর সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা  ◈ বি‌শ্বের বর্তমান ও সা‌বেক তারকা ফুটবলাররা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ চান  ◈ জাপানি ভাষা শিখে বিনা খরচে বিদেশে চাকরির সুযোগ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের: মাহ্‌দী আমিন

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২৩৭ কলেজের অধ্যক্ষকে মাউশির শোকজ

‎বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ই-রিকুইজিশনে (শূন্য পদের চাহিদা) ভুল তথ্য দেওয়া এবং যাচাইয়ের জন্য যথাসময়ে তথ্য না দেওয়ায় দেশের ২৩৭টি কলেজের অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

‎আজ মঙ্গলবার মাউশির কলেজ শাখা-৩ (বেসরকারি কলেজ) থেকে প্রকাশিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

‎অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভুল চাহিদা দেওয়ার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে ভুল পদে নিয়োগ পেয়ে প্রার্থীরা এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

‎অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি শিক্ষা অঞ্চলের মোট ২ হাজার ৩৩৭টি কলেজ পর্যায়ের শূন্যপদের তথ্য যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ১০০টি পদের চাহিদা সঠিক পাওয়া গেলেও ২৩৭টি পদের চাহিদা ভুল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

‎প্রতিবেদনে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কলেজগুলো থেকে, যেখানে ১২১টি পদে ভুল চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল অঞ্চলে ৩৯টি, খুলনা অঞ্চলে ৩৮টি, রাজশাহী অঞ্চলে ১৪টি, রংপুর অঞ্চলে ১১টি, ঢাকা অঞ্চলে ৫টি, সিলেট অঞ্চলে ৪টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩টি এবং কুমিল্লা অঞ্চলের কলেজগুলোতে ২টি পদের ভুল চাহিদা দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে শিক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভুল চাহিদার বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—প্যাটার্ন বহির্ভূত পদে চাহিদা দেওয়া, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাম্য শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও চাহিদা পাঠানো, সংশ্লিষ্ট পদের বিপরীতে মামলা চলমান থাকলেও ই-রিকুইজিশন দেওয়া, শিক্ষক প্রাপ্যতা না থাকার পরও চাহিদা দেওয়া এবং যাচাইয়ের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে যথাসময়ে তথ্য সরবরাহ না করা।

‎মাউশি জানিয়েছে, ভুল চাহিদা প্রদান এবং তথ্য সরবরাহ না করায় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১-এর ১৮.১ (ঘ) মোতাবেক কেন সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হবে না, তার জবাব চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গভর্নিং বডির সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে মতামত পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ