শিরোনাম
◈ সেঞ্চু‌রি না পে‌য়ে হতাশ শান্ত ও মুশফিক, আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে চালকের আসনে বাংলাদেশ ◈ বিএনপিতে অপকর্মে জড়ালে ছাড় নয়, চাঁদাবাজি-দখলদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: এমপিদের কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ◈ নাটোর রেলস্টেশন থেকে জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপটি উদ্ধার (ভিডিও) ◈ নানা পাটেকরের কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? ময়নাতদন্তে যা জানা গেল ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা, যাত্রী টার্মিনালে আগুন; ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত ◈ গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করতে জীবিত গরু ও হালাল মাংস আমদানির দাবি ◈ সরকারিভাবে এখন থেকে পালিত হবে ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেগা প্রকল্প নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হোক পারস্পরিক মর্যাদা ও জনস্বার্থ: রিয়াজ হামিদুল্লাহ

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:১৪ রাত
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:১৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে মধুমতি নদীভাঙন রোধে ফেলা হচ্ছে জিওব্যাগ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে আপদকালীন জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে জিওব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু করেছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের চরখোলাবাড়িয়া এলাকার নদীর তীব্র ভাঙনকবলিত ১১০ মিটার অংশে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ হাজার জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মধুমতি নদীতে আশঙ্কাজনকভাবে পানি বৃদ্ধি পায়। এর সঙ্গে সঙ্গে নদীতে তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হলে চরখোলাবাড়িয়া এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আটটি বসতঘর নদীগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়। এছাড়া ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে এলাকাটির আরও শত শত বসতবাড়ি, স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ নানা স্থাপনা।

ভিটেমাটি ও নিজেদের শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় নদীপাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত ও আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাৎক্ষণিক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এবং দ্রুত সরকারি স্থায়ী হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানান। পরবর্তীতে বিষয়টি দেশের বিভিন্ন জাতীয় সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হলে তা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলামিন মিয়া বলেন, 'জিওব্যাগ ফেলে সাময়িক ভাঙন হয়তো থামবে কিন্তু এতে আমরা স্থায়ী সমাধান পাচ্ছি না। আমাদের দাবি, সরকার যেন দ্রুত স্থায়ী সিসি ব্লক দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকু রক্ষা করে।'

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মো. মজিবর রহমান জানান, 'বর্তমানে প্রতিটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ও সাময়িক পদক্ষেপ হিসেবে নদীভাঙন ঠেকাত জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে। পরবর্তীতে শুকনো মৌসুমে নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

  • সর্বশেষ