শিরোনাম
◈ ইরানে এবার বিশাল যে খনির সন্ধান পাওয়া গেল ◈ বাবার মরদেহ বারান্দায়, কবরের জমি নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে সংঘর্ষ ◈ খরা ও ভূমি অবক্ষয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইল বাংলাদেশ ◈ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ ◈ এসএসসি পরীক্ষার বিশেষ ১৪ নির্দেশনা দিল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ◈ এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর: কর্মপন্থা নির্ধারণে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন ◈ ৪৯ মি‌লিয়‌নে বি‌ক্রি হ‌লো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল  ◈ মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী ◈ ৮ মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৬২ হাজার: সিপিডি ◈ আরও ৫ মৃত্যু হামের উপসর্গে, প্রাণহানি বেড়ে ৯৩৮

প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:১৮ বিকাল
আপডেট : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঐতিহ্য বাঁচাতে বাসাইলের নন্দন বিলে নৌকাবাইচ

গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে এবং তরুণ-যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এক জমজমাট নৌকাবাইচ হয়ে গেল। গত শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার নন্দন বিলে এই আয়োজন করে ফুলকী দক্ষিণপাড়া যুবসমাজ। পাঁচটি গ্রুপে ২০টি কোষা নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

প্রতিযোগিতা দেখতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, আবহমান গ্রাম বাংলার লোকসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ নৌকাবাইচ। এক সময় নদনদীতে নৌকাবাইচ উৎসব হতো। বর্ষা মৌসুমে মাঝিমাল্লার বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দ আর সারি গানের তালে এগিয়ে যেত দৃষ্টিনন্দন সব কোষা নৌকা। নৌকাবাইচ দেখতে ভিড় করত দূরদূরান্তের দর্শনার্থীরা। কালের বিবর্তনে নগরায়ণের ফলে গ্রামীণ জীবনধারা অনেক বদলে গেছে। এক সময়ের আমুদে মানুষও বাইচের নৌকা তৈরি থেকে বিমুখ হয়ে পড়েছে। ফলে বাইচের কোষা নৌকাও খুব একটা দেখা যায় না। এই যখন অবস্থা, তখন টাঙ্গাইলের বাসাইলে হয়ে গেল এক জমজমাট নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।

উৎসবমুখর পরিবেশে নৌকাবাইচ দেখতে গত শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকার মানুষ এসে বিলের দুই পাড়ে উপস্থিত হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আশপাশে হাজারো মানুষ সমবেত হয়। দর্শনার্থীরা আনন্দে মেতে ওঠেন নৌকাবাইচ দেখতে। কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায় বিলের দুই পাড়। পুরুষের পাশাপাশি নারীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। ছোট ছোট নৌকা নিয়ে এই বাইচের আয়োজন করা হয়। ফুলকী ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২০টি কোষা নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানে কোনো রাজনৈতিক নেতা বা ব্যক্তিকে অতিথি করা হয়নি। মূলত আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে ও মানুষকে বিনোদন দিতে যুবসমাজের উদ্যোগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় কোনো বড় নৌকা ছিল না। ১২ থেকে ১৫ হাত নৌকাগুলো বাইচে অংশ নেয়। চ্যাম্পিয়ন নৌকাকে ২৪ ইঞ্চি স্মার্ট টেলিভিশন পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: সমকাল

  • সর্বশেষ