শিরোনাম
◈ মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী ◈ ৮ মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৬২ হাজার: সিপিডি ◈ আরও ৫ মৃত্যু হামের উপসর্গে, প্রাণহানি বেড়ে ৯৩৮ ◈ ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ ◈ ‘একসঙ্গে দিতে পারছি না’, নতুন পে স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী ◈ ইমরান খা‌নের যত্ন নিন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আবার চিঠি গাভাস্কার, কপিল দেব সহ ২১ সা‌বেক অধিনায়কের ◈ বেনাপোলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মারা গেল ১৫ কোটি টাকার পাবদা মাছ! ◈ ইং‌লিশ লি‌গে ম্যানচেস্টার সিটির নাটকীয় জয় ◈ বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান মন্ত্রীর ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব বেশি দেরি হবে না: সিইসি

প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:৪৫ দুপুর
আপডেট : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:৩২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৮ মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৬২ হাজার: সিপিডি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতিতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রবণতাই বেশি বলে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, চলতি অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। একই সময়ে জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশের তিন প্রধান শিল্পাঞ্চলে ৯৫টি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে ৬১ হাজার ৮৮১ জন কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে সিপিডির আয়োজনে ‘নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাস: একটি অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া সংলাপে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংলাপে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় অর্থনীতি কাঠামোগত নানা সমস্যার মধ্যে ছিল। একই সময়ে বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অনুকূলে ছিল না। তবে দায়িত্ব নেওয়ার সময়কার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকার কোনো সমন্বিত তথ্যভিত্তিক দলিল তৈরি না করায় এখন সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, নতুন সরকারের কাছে বড় দুটি প্রত্যাশা ছিল অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়িয়ে অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করানোর প্রত্যাশা থাকলেও সামগ্রিক চিত্রে অস্বস্তির জায়গাই বেশি।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কাঠামোগত সমস্যার কথা বারবার বলছে। কিন্তু সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় অর্থনীতির প্রকৃত অবস্থা কী ছিল, তার কোনো সমন্বিত তথ্যভিত্তিক দলিল তৈরি করা হয়নি। ফলে এখন সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে পরিসংখ্যানের সমন্বয় করা কঠিন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সংস্কার কর্মসূচির ক্ষেত্রেও সমন্বিত কোনো কর্মপরিকল্পনা দেখা যায়নি। ইশতেহারে যেসব কমিশনের কথা বলা হয়েছিল, সেগুলোর অনেকগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতি ও নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ মূল্যায়নে সিপিডি প্রায় ৩৬২টি কার্যকর পদক্ষেপ চিহ্নিত করেছে। এগুলো নয়টি ভাগে বিভক্ত করে ‘রিফর্ম ট্র্যাকার’-এর আওতায় মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

সুশাসন, আইনের শাসন ও জনপ্রশাসনের ক্ষেত্রে ১০৫টি ঘটনা মূল্যায়ন করেছে সিপিডি। সংসদ সদস্যদের ভবিষ্যতে সরকারি প্লট ও গাড়ি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত, রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার, সরকারি ব্যয় সংকোচনের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উচ্চপদে নিয়োগকে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে সিপিডি। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার সরকারি প্রতিশ্রুতিরও এতে ব্যত্যয় ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন ড. দেবপ্রিয়।

আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রেও উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান তিনি। গুম, খুন ও মানবাধিকারবিষয়ক আইনগুলোতে ত্রুটি ও অসম্পূর্ণতা রয়েছে। সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও মব সহিংসতা, নারী ও শিশুর ওপর নির্যাতন এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বন্ধ হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সিপিডির হিসাবে, চলতি অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রায় ৪২ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হবে। তবে বর্তমান প্রবণতা বিবেচনায় রাজস্ব ঘাটতি ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।

এনবিআরের রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ১১ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে। মোট কর রাজস্বের প্রবৃদ্ধিও ১২ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে।

একই সময়ে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার নির্ভরতা ৪৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ হয়েছে। নিট বৈদেশিক সহায়তা ৭৭১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৭৩৪ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

শিল্প খাতের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে সিপিডি। জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত গাজীপুর, সাভার-আশুলিয়া এবং নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী শিল্পাঞ্চলে ৯৫টি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে। এসব কারখানা বন্ধ হয়ে সরাসরি ৬১ হাজার ৮৮১ জন কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, শিল্প উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে শূন্যে নেমেছে। উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধিও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে শূন্যে নেমে এসেছে।

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। নিট বিদেশি বিনিয়োগ ৬৬২ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৫৯৪ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির এলসি খোলার প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমে ঋণাত্মক ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ হয়েছে।

মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি সমস্যা, এলএনজি সংগ্রহে জটিলতা ও কার্গো গ্রহণে সমস্যার কারণে দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সিপিডি।

এর প্রভাবে টেক্সটাইল, ইস্পাত, কাগজ, পার্টিকেলবোর্ড ও সিরামিকসহ গ্যাসনির্ভর শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিল্পে গ্যাসের ব্যবহার ১ হাজার ১৮৬ এমএমসিএফ থেকে কমে ১ হাজার ১৪৮ এমএমসিএফে নেমেছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সূচকের প্রবৃদ্ধিও ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমে ঋণাত্মক শূন্য দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে।

সিপিডির মূল্যায়নে মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা উন্নতি হলেও সাধারণ মানুষের জন্য পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ হয়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে নেমে ৭ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ১ শতাংশ থেকে সামান্য বেড়ে ৮ দশমিক ২ শতাংশ হলেও প্রকৃত মজুরি প্রবৃদ্ধি এখনো নেতিবাচক রয়েছে।

রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। বিপরীতে আমদানি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৮ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে। সিপিডির পর্যবেক্ষণ, আমদানি বৃদ্ধির বড় অংশই জ্বালানি ও এলএনজির মূল্যবৃদ্ধির কারণে হয়েছে; বিনিয়োগের জন্য মূলধনি পণ্য আমদানির কারণে নয়।

রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ২১ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ১১ দশমিক ৮ শতাংশ হয়েছে। মাসিক গড় বিদেশে কর্মসংস্থানও ৯৫ হাজার ৫২১ জন থেকে কমে ৫১ হাজার ২৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

বাণিজ্য ঘাটতি ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১০ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। চলতি হিসাবের ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত ৬০০ মিলিয়ন ডলারের ঘাটতিতে চলে গেছে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়নে ৩১টি সূচক নিয়ে একটি স্কোরকার্ড তৈরি করেছে সিপিডি। এর মধ্যে ১২টি সূচকে উন্নতি হলেও ১৯টিতে অবনমন হয়েছে।

হালনাগাদ তথ্যের ঘাটতিকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন ড. দেবপ্রিয়। জুলাই-আগস্ট তো বটেই, অনেক ক্ষেত্রে মে-জুনের পরও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

সরকার তথ্যের কোনো বিকৃতি হবে না বলে যে অবস্থান নিয়েছে, সেটিকে উৎসাহব্যঞ্জক উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে তথ্য বিকৃতির বিষয়টি সিপিডির শ্বেতপত্রেও তুলে ধরা হয়েছিল। তবে গত ছয় মাসে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশে সরকার যথেষ্ট তৎপর হয়েছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, হালনাগাদ তথ্য না থাকলে সরকারের ভালো কাজেরও মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। সরকারি পরিসংখ্যান ব্যবস্থার বর্তমান ধারা তাই বড় সমস্যা তৈরি করছে।

সরকারের কয়েকটি পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে চিহ্নিত করেছে সিপিডি। এর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো, অপ্রকাশিত অর্থ বৈধ করার প্রস্তাব প্রত্যাহার, ই-রিটার্ন ও ডিজিটাল আয়কর ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং আরএমজির বাইরে রপ্তানিমুখী শিল্পে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা সম্প্রসারণ।

এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ স্বাক্ষর, বিডা-বেজা-পিপিপিএ একীভূত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ চালু, স্টার্টআপ ফান্ড গঠন, ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মেট্রো ও ট্রেন ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড়, কৃষকের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ ও সুদ মওকুফ এবং নারী পরিচালিত ‘পিংক বাস সার্ভিস’ চালুকেও ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হয়েছে।

ব্যাংক খাতে পাঁচটি দুর্বল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন এবং পাঁচটি অকার্যকর এনবিএফআইয়ের ক্ষেত্রে ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ প্রয়োগকেও ইতিবাচক বলেছে সিপিডি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন ও শীর্ষ পর্যায়ের নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিপিডি অক্টোবর ২০২৬ থেকে জুন ২০২৭ মেয়াদের একটি ‘কোর বাজেট’ তৈরির সুপারিশ করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে ‘সুরক্ষা বলয়’ তৈরিরও পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

একই সঙ্গে জ্বালানি, ব্যাংক, এনবিআর, রাজস্ব-ব্যয়, এডিপি, লজিস্টিকস, ডিজিটালাইজেশন ও বেতন কমিশনসহ একটি সমন্বিত সংস্কার প্যাকেজ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া এক বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে যারা মনে করেছিলেন, তাদের সেই প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। বাংলাদেশ এখন একটি দীর্ঘায়িত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের দিকে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে বাস্তবসম্মত একটি কোর বাজেট তৈরি, বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচির সময়সীমা সমন্বয় এবং একটি সমন্বিত সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।

এ ছাড়া সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ সংসদে বেতন কাঠামো, ব্যাংকিং খাত, বিদ্যুৎ খাত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে সিপিডি।

 

  • সর্বশেষ