শিরোনাম
◈ বাবার মরদেহ বারান্দায়, কবরের জমি নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে সংঘর্ষ ◈ খরা ও ভূমি অবক্ষয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইল বাংলাদেশ ◈ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ ◈ এসএসসি পরীক্ষার বিশেষ ১৪ নির্দেশনা দিল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ◈ এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর: কর্মপন্থা নির্ধারণে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন ◈ ৪৯ মি‌লিয়‌নে বি‌ক্রি হ‌লো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল  ◈ মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী ◈ ৮ মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৬২ হাজার: সিপিডি ◈ আরও ৫ মৃত্যু হামের উপসর্গে, প্রাণহানি বেড়ে ৯৩৮ ◈ ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ

প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:১২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪৯ মি‌লিয়‌নে বি‌ক্রি হ‌লো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল 

স্পোর্টস ডেস্ক : ১৯৮৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ ম্যাচের বলটি নিলামে তোলা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনার সেই গোল করা বলটি রেকর্ড ৩.৩৫ মিলিয়ন ডলারে (৪৯ মিলিয়ন বা ৪ কোটি ৯২ লাখ টাকায়) বিক্রি হয়েছে।

গত শনিবার সন্ধ্যার ওই নিলাম অনুষ্ঠানে আড়াই মিলিয়ন ডলার থেকে বিডিং শুরু হয়েছিল। তবে নিলামের আগে প্রি-সেল প্রাক্কলনে এর দাম ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারে হাতবদল হয় বলটি। ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ম্যারাডোনা এই বলেই তাঁর বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেছিলেন এবং এর মাত্র চার মিনিট পর ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একক প্রচেষ্টার গোলটি করেছিলেন। --- টি স্পোর্টস

দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিলামকারীরা আশা করেছিলেন যে বলটির দাম ম্যানাডোসার  সেই ম্যাচের জার্সিটির রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০২২ সালে সোথবির নিলামে মারাদোনার সেই জার্সিটি প্রায় ৯০ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়া, এটি খেলাধুলায় ব্যবহৃত বলের সর্বকালের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি; যেটি বর্তমানে ২০২০ সালে বিক্রিত বেসবল তারকা শোতে ওহতানির ৫০তম হোম রানের বলের (৪.৩৯২ মিলিয়ন ডলার) দখলে রয়েছে।

দাম কম হওয়ার নেপথ্য কারণ 

এর আগে ২০২২ সালে গ্রাহাম বাড অকশন্স থেকে বলটি ২ মিলিয়ান ডলারে হাতবদল হয়েছিল। তবে এর পরের বছর সর্বোচ্চ ২.০৪ মিলিয়ন ডলারের বিড উঠলেও তা ন্যূনতম রিজার্ভ মূল্য ছুঁতে না পারায় বিক্রি হয়নি। চলতি গ্রীষ্মে ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উন্মাদনার সুযোগ নিতেই বলটি পুনরায় নিলামে তোলা হয়েছিল। 

তবে বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর এর নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়া এবং টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার শিরোপা জিততে না পারা—এই দুটি বিষয়ই মূলত নিলামে ক্রেতাদের আগ্রহ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্মারক বাজারের নতুন মূল্যায়ন 

প্রাথমিক অনুমান ১ কোটি  ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে না পারলেও, এই বিক্রয়মূল্য পুরোনো ফুটবল স্মারক বাজারের জন্য একটি বাস্তবসম্মত মানদণ্ড তৈরি করে দিল। আগামী মাসগুলোতে বিংশ শতাব্দীর অন্য কোনো দুর্লভ স্মারক বাজারে আসে কি না, তা বিশ্বজুড়ে সংগ্রাহকরা বেশ কৌতূহলের সাথেই লক্ষ্য করবেন। 

তা সত্ত্বেও, বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর উচ্চমূল্যের স্মারকগুলো বিশ্বজুড়ে প্রাইভেট ইনভেস্টরদের মাঝে সবসময়ই একটা স্থিতিশীল আগ্রহ ধরে রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ