শিরোনাম
◈ চিনিতে লোকসান গুনেও অ্যালকোহলে ১৬৫ কোটি টাকা মুনাফা কেরুর ◈ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ দুই বছর পর খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কম খরচে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর নতুন উদ্যোগ ◈ ব্রাজিল ফুটবল দল বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে খেলতে চায় ◈ বঙ্গভবনে সপরিবারে উঠলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ট্যুরিস্ট ভিসার আড়ালে বাংলাদেশে অপরাধের নেটওয়ার্ক গড়ছেন চীনা নাগরিকরা ◈ দ্বিতীয় টে‌স্টে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে জিত‌তে না পার‌লে আত্মসম্মানের ব্যাপার ছিল: প‌্যাট কা‌মিন্স ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ ◈ ‘আমার ৯ বিয়ের তথ্য মিথ্যা, কোনো পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত নই’: ইসলামী আন্দোলন নেতা মিছবাহর চ্যালেঞ্জ ◈ বঙ্গভবনে প্রথম দিনের দাপ্তরিক কাজ শুরু নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০৮ রাত
আপডেট : ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজবাড়ীতে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩জন

সৈকত শতদল, রাজবাড়ী প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মাত্র ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে বড় ভাই ফারুক শেখ (৪৬)-কে হত্যার অভিযোগে তাঁর আপন ছোট ভাই বারেক শেখসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়ালন্দঘাট থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ দল।

গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন দৌলতদিয়া এলাকার মো. আলমগীর হোসেন ও মো. রুবেল শেখ। পুলিশের দাবি, বারেক শেখ পারিবারিক বিরোধ ও সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে তাঁর দুই সহকর্মীকে ভাড়াটে খুনি হিসেবে নিয়োগ দেন।

পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে বেলা ২টার মধ্যে গোয়ালন্দঘাট থানার জামতলা এলাকায় নিজ বাড়ির শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে থাকা ফারুক শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. খালেক শেখ (৭০) বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার পর হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নামে থানা পুলিশ ও ডিবির একটি দল। তদন্তের একপর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ফারুক শেখের ছোট ভাই বারেক শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে বারেক হত্যার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেন। পারিবারিক কলহ, তাঁদের মাকে মারধরের পুরোনো ঘটনা এবং ফারুকের টাকা-পয়সা ও সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে তিনি এ হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে তদন্তে উঠে আসে।

পুলিশ আরও জানায়, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বারেক তাঁর দুই সহকর্মী আলমগীর হোসেন ও রুবেল শেখকে মাত্র ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে ফারুককে হত্যার দায়িত্ব দেন। পরে নির্ধারিত দিনে আলমগীর ও রুবেল বারেকের বাড়িতে গেলে তিনি আগে থেকে সংগ্রহ করে রাখা দুটি ধারালো দা তাঁদের হাতে তুলে দেন। এরপর তিনি সেখান থেকে চলে যান।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, বারেক চলে যাওয়ার পর আলমগীর ও রুবেল ফারুকের ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে তাঁরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

বারেকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গোয়ালন্দঘাট থানার দৌলতদিয়া এলাকার হোসেন মন্ডলপাড়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আলমগীর ও রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা দুটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আলামত হিসেবে রক্তমাখা গেঞ্জি ও প্যান্ট, ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং একটি মাস্ক জব্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার তিন আসামিই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • সর্বশেষ