শিরোনাম
◈ ভিউ-লাইক আর টাকার লোভে অন্যকে অপমান, বিবেক কোথায় আমাদের? এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত: মেহজাবীন চৌধুরী ◈ পশু জবাই নিয়ে বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি, দুঃখ প্রকাশ জবি প্রশাসনের ◈ হালান্ডের রেকর্ডের রাতেও ইতিহাদে পিএসজির জয় ◈ এক পদে দুই বেতন, ফিফা সভাপ‌তি ইনফান্তিনোকে ঘিরে নতুন বিতর্ক ◈ নারীদের প্রতি বৈষম্যের প্রতিবাদে আফগান লিগ ছাড়লেন তিন ইংলিশ ক্রিকেটার ◈ ধরা পড়ে কিশোররা, আড়ালে থেকে যায় ‘বড়ভাইয়েরা’: অপরাধ থামবে কীভাবে ? ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করতে চায় নেদারল্যান্ডস ◈ ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা ◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২৬, ০২:৫৪ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুবদল নেতার কার্যালয়ে ৪ যুবককে মারধর করে কেটে দেওয়া হলো চুল, ভিডিও ভাইরাল

রাজশাহীতে চোর সন্দেহে চার যুবককে ধরে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ বুধবার চারজনকে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে নগরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিমান চত্বর এলাকার একটি চেম্বারে চার যুবককে নেওয়ার পর মারধর করা হয়। পরে তাঁদের শাহ মখদুম থানা-পুলিশে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিমান চত্বর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে সিগারেট ও কিছু টাকা চুরির অভিযোগে আব্দুস সামাদ, দেবসহ চার যুবককে আটক করা হয়। পরে তাঁদের মহানগর যুবদলের সদস্য ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী শাকিলুর রহমান রনের চেম্বারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েকজন যুবক তাঁদের মারধর করেন এবং মাথার চুল কেটে দেন। ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়।

এ বিষয়ে কথা বলতে শাকিলুর রহমান রনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

Advertisement

১৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্যসচিব মো. বেলাল বলেন, যাঁদের মারধর করা হয়েছে, তাঁরা এলাকায় বিভিন্ন চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে কাউকে এভাবে মারধর ও চুল কেটে দেওয়া ঠিক হয়নি।

এ বিষয়ে শাহ মখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, চুরির অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দারা চারজনকে থানায় সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং আজ তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে মারধর করা অপরাধ। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উৎস: প্রথম আলো ও আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ