স্পোর্টস ডেস্ক: প্রথমার্ধেই তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি। বিরতির পর আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। তবে শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফরাসি ক্লাবটি। হারের রাতেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুটি রেকর্ড গড়েছেন হালান্ড। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক পিএসজি। ১৩ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ম্যানচেস্টার সিটিকে চাপে ফেলে লুইস এনরিকের দল। ৩২ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন ভিতিনিয়া। বিরতির আগে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকেরা।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে সিটি। ৫৩ মিনিটে ইলিমান এনদিয়াইয়ের ক্রসে হেডে ব্যবধান কমান হলান্ড। তবে ৬২ মিনিটে মাহনেস আকিউসের গোলে আবার তিন গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি।
এরপর ৭৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে সিটির আশা জাগান হলান্ড। এর আগে তাঁর একটি হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৮৩ মিনিটে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেলেও গোললাইন থেকে তাঁর শট ফিরিয়ে দেন পিএসজির গোলরক্ষক। শেষ দিকে পেনাল্টি পেয়েও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি সফরকারীরা। ফেররান তরেসের স্পট-কিক ঠেকিয়ে দেন জানলুইজি দোন্নারুম্মা।
জোড়া গোলের সুবাদে ব্যক্তিগত অর্জনেও উজ্জ্বল ছিলেন হলান্ড। প্রথম গোলটি করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার সিটির সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে সের্হিও আগুয়েরোকে ছাড়িয়ে যান তিনি। প্রতিযোগিতায় হলান্ডের গোলসংখ্যা এখন ৩৭, আগুয়েরোর ৩৬।
এ ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দ্রুততম ৬০ গোলের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার। তাঁর লেগেছে ৬০ ম্যাচ, যেখানে লিওনেল মেসির প্রয়োজন হয়েছিল ৮০ ম্যাচ।
এই জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয় পেল পিএসজি। দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানীয় দলগুলোর সঙ্গে রয়েছে তারা। অন্যদিকে, দুই ম্যাচে এক জয় পাওয়া সিটির সংগ্রহ তিন পয়েন্ট।