স্পোর্টস ডেস্ক : ম্যাচের তখন শেষ ছয় মিনিট। ৩-১ গোলে পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। হার যখন প্রায় নিশ্চিত, তখনই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। শেষ মুহূর্তে তিন গোল করে ৪-৩ ব্যবধানে রোমাকে হারিয়ে দিল ইউরোপের সফলতম ক্লাবটি। রিয়ালের তিনটি গোলই এসেছে কর্নার কিক থেকে।
বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ২০ মিনিটে মার্থেন ডি রুনের গোলে এগিয়ে যায় রোমা। ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া তাঁর শট ঠেকাতে পারেননি রিয়ালের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। তবে পাঁচ মিনিট পরই সমতা ফেরান কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে জালে বল পাঠান ফরাসি তারকা।
চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি ছিল এমবাপ্পের শততম ম্যাচ এবং টুর্নামেন্টে ৭২তম গোল। এই গোলের মধ্য দিয়ে রিয়াল কিংবদন্তি রাউল গনজালেসকে ছাড়িয়ে প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকার সেরা পাঁচে জায়গা করে নেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে ডনিয়েল মালেনের ছয় মিনিটের ব্যবধানে করা দুই গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রোমা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও ছিল স্বাগতিকদের হাতে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বদলে যায় পুরো চিত্র।
শেষ ছয় মিনিটে তিনটি গোল করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় রিয়াল। কর্নার থেকে হেডে ফিরে আসা বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান কমান কার্লোস এসপি। দুই মিনিট পর আরেকটি কর্নার থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান এন্দ্রিক। এরপর ৯০তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন আন্তোনিও রুডিগার। তাঁর গোলে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় রিয়ালের।
ম্যাচ শেষে রোমার কোচ হোসে মরিনহো বলেন, একই ম্যাচে যেন দুটি ভিন্ন খেলা হয়েছে। ৩-১ গোলে এগিয়ে থাকার সময় অনেকেই ম্যাচের ফল নির্ধারিত মনে করেছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন পাল্টে দেয় সব হিসাব।
এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে রোমার সংগ্রহ এক পয়েন্ট।