শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত ◈ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে যে শর্ত মানতে হবে, জানালেন সোহেল তাজ ◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডের মা‌ঠে ইমরান খানের দুই  ছেলের সাক্ষাৎকার প্রচার করায় ম্যাচ বয়কটের হুমকি পিসিবির! ◈ আজ থেকে নারী এশিয়া কাপ শুরু, বাংলাদেশের প্রথম ম‌্যাচ সোমবার ইন্দো‌নে‌শিয়ার বিরু‌দ্ধে ◈ ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ থেকে বছরে কোটি টাকার রফতানি, বদলাচ্ছে বহু মানুষের জীবন ◈ কিলিং স্কোয়াডের শুটার ‘গলাকাটা মোবারক’, ৪ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ◈ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩৬ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস আজ: প্রথম উদিত হয় লাল-সবুজের পতাকা

ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস আজ (৬ ডিসেম্বর শনিবার)। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ শেষে ৬ ডিসেম্বর পাক হানাদারদের হটিয়ে ঝিনাইদহকে শত্রুমুক্ত করে মুক্তিকামী বাংলার দামাল ছেলেরা। ঝিনাইদহে প্রথম উদিত হয় লাল-সবুজের পতাকা। মানুষ নির্ভয়ে রাস্তায় নেমে আসে এবং উল্লাস করতে থাকেন।

১৯৭১ সালের পহেলা এপ্রিল স্বাধীনতা সংগ্রামে এ দেশে প্রথম যে সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামে। ওই দিন পাকবাহিনী যশোর ক্যান্টমেন্ট থেকে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝিনাইদহ দখলের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসতে থাকে।

আক্রমন প্রতিহত করতে বিষয়খালী গ্রামের বেগবতী নদীর তীরে তাদেরকে প্রবল বাঁধার সৃষ্টি করে। পাকবাহিনীকে রুখতে নদীর সেতু গুড়িয়ে দেয় মুক্তিযোদ্ধারা। পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর প্রায় ৮ ঘন্টা তুমুল যুদ্ধ হয়। নদী তীরে সম্মুখযুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে পাকহানাদার বাহিনী পিছু হটে যায় এবং নিকটন্ষ গড়িয়ালা গ্রামে প্রবেশ করে নিরীহ গ্রামবাসিকে হত্যা করতে থাকে।

৪ এপ্রিল শৈলকূপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ যুদ্ধ, ৪ আগস্ট একই উপজেলার আলফাপুর যুদ্ধ, ১৪ অক্টোবর আবাইপুর যুদ্ধ ও ২৬ নভেম্বর কামান্না যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এছাড়াও ৬ আগস্ট, ১৭ আগস্ট ও ১১ ই নভেম্বর জেলার বিভিন্ন স্থানে তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে গেরিলা যুদ্ধ চরম আকার ধারণ করে। অপরদিকে ভারতীয় বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী যৌথভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভেতরে ঢুকে পড়ে। মুক্তিসেনাদের সাঁড়াশি আক্রমণে ৩ ডিসেম্বর মুক্ত হয় মহেশপুর, ৪ ডিসেম্বর কোটচাঁদপুর এবং ৫ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ মুক্ত হয়।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা এলাকা দিয়ে কপোতাক্ষ ও চিত্রানদী অতিক্রম করে ৬ ডিসেম্বর মুক্তিকামীরা ঝিনাইদহে প্রবেশ করে জেলা শহর মুক্ত করে। এসব যুদ্ধে সারা জেলায় ২’শত ৭৬ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কামালুজ্জামান বলেন, ৬ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ঘর থেকে দলে দলে সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে উল্লাস করতে থাকেন। ফুল দিয়ে তারা মুক্তিসেনাদের বরণ করে নেন। দিবসটি পালনে বিভিন্ন সংগঠন কর্মসুচি গ্রহন করেছে।

সূত্র: ইনকিলাব

  • সর্বশেষ