শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত ◈ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে যে শর্ত মানতে হবে, জানালেন সোহেল তাজ ◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডের মা‌ঠে ইমরান খানের দুই  ছেলের সাক্ষাৎকার প্রচার করায় ম্যাচ বয়কটের হুমকি পিসিবির! ◈ আজ থেকে নারী এশিয়া কাপ শুরু, বাংলাদেশের প্রথম ম‌্যাচ সোমবার ইন্দো‌নে‌শিয়ার বিরু‌দ্ধে ◈ ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ থেকে বছরে কোটি টাকার রফতানি, বদলাচ্ছে বহু মানুষের জীবন ◈ কিলিং স্কোয়াডের শুটার ‘গলাকাটা মোবারক’, ৪ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ◈ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:২৭ দুপুর
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাসায়নিক জেলি ও সয়াবিন তেল মিশিয়ে নকল দুধ উৎপাদন, আটক ব্যবসায়ী

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ নকল দুধ উৎপদানের অভিযোগে মিজান আলী (২৮) নামের এক ব্যবসায়ীকে ৯০ দিনের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি সয়াবিন তেল, গ্লুকোজ, স্যাকারিন, ইউরিয়া, ডিটারজেন্ট পাউডার, কস্টিক সোডা ও রাসায়নিক জেলি ব্লেন্ড করে এই নকল দুধ উৎপাদন করেন।

আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে অষ্টমণীষা ইউনিয়নের শাহানগর পাঁচপাড়া গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। দণ্ডাদেশ পাওয়া মিজান আলীর বাড়ি সদর ইউনিয়নের মেন্দা পশ্চিম পাড়ায়।

স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন জানায়, ননী ও ফ্যাট তুলে নেওয়া পাতলা দুধ বা পানিতে যোগ করা হতো সয়াবিন তেল, গ্লুকোজ, স্যাকারিন, ইউরিয়া, ডিটারজেন্ট পাউডার, কস্টিক সোডা ও রাসায়নিক জেলি। এসব ব্লেন্ডারে মিশিয়ে কয়েক মিনিটে তৈরি করা হয় নকল দুধ, যা ভোক্তাদের কাছে সাধারণ দুধ হিসেবে বিক্রি করা হয়। এই নকল দুধ দীর্ঘমেয়াদে কিডনি, লিভার ও পাচনতন্ত্রসহ মানবদেহের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

স্থানীয়রা জানায়, এ কারখানার কারণে এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছিল। তারা অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মূল হোতা ফারুকসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।

অভিযান পরিচালনাকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে কেমিকেল মেশানো প্রায় ১০ লিটার সয়াবিন তেল ও উৎপাদিত আট লিটার নকল দুধ জব্দ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মিজান আলীকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে মিজান আলী স্বীকার করেন, তিনি তার ভাই ফারুক হোসেনের সঙ্গে যৌথভাবে এ অবৈধ ব্যবসাটি চালাচ্ছিলেন। ফারুক পূর্ব থেকেই এলাকায় ‘নকল দুধ ব্যবসায়ী’ হিসেবে পরিচিত বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নকল দুধ ব্যবসায়ীকে আটকের পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আজ বিকেলে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জনস্বার্থে ভেজাল দুধ উৎপাদন ও বিক্রির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

সূত্র: এনটিভি 

  • সর্বশেষ