শিরোনাম
◈ তাঁবু রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ, আয় ২৩ কোটি ডলারের বেশি ◈ জিম্বাবুয়ের কাছে হারের পর ক্রিকেটার‌দের তা‌মিম বল‌লেন, ক‌ঠোর প‌রিশ্রম চা‌লি‌য়ে যাও রেজাল্ট পা‌বে ◈ টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী ◈ বৈধ অস্ত্র দিয়ে ভয়-ভীতি দেখালে কী শাস্তি, লাইসেন্স পেতে কী যোগ্যতা লাগে জানুন নিয়ম ◈ ছবি চালিয়ে বিদ্যুৎ বিলের টাকাও উঠছে না, চিরতরে বন্ধ হচ্ছে গাজীপুরের ‘উল্কা’ সিনেমা হল ◈ কক্সবাজারের পাহাড়ি সড়কে দুই দফায় ডাকাতি, ১৫-১৬টি যানবাহনের যাত্রীদের মালামাল লুট ◈ ঢাকা-২৩ আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন পেতে ৬৯ প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিলেন তারেক রহমান ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের এ মাসেই বাড়তি বেতন-ভাতা নিয়ে যা জানাল অর্থ মন্ত্রণালয় ◈ পরমাণু ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লে চাপ নিতে প্রস্তুত কি দেশের গ্রিড? বড় চ্যালেঞ্জ স্পিনিং রিজার্ভ ◈ ওমা‌নের মা‌ঠে সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারালো বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৩ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুলির পারিশ্রমিক না দিয়ে পালালেন যাত্রী, ঘটনাটি নিয়ে যা জানা গেলো

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এক কুলি *বাপ্পিকে নিয়ে হৃদয়স্পর্শী এক ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায়, চলন্ত ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল ধরে দৌঁড়াচ্ছেন বাপ্পি। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, “আল্লাহ আপনার কড়া বিচার করবেন,”— এরপরই তিনি ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল ছেড়ে দেন।

ঘটনাটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের মধ্যে সৃষ্টি করে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়। তবে জানা গেছে, ভাইরাল এই ঘটনার পেছনে রয়েছে এক ভিন্ন গল্প।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক যাত্রীকে ট্রেনে উঠাতে সাহায্য করেছিলেন বাপ্পি। তিনি যাত্রীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন— ট্রেনে উঠিয়ে দেবেন, আর যাত্রী তাকে কিছু পারিশ্রমিক দেবেন। যাত্রীও খুশি হয়ে শুরুতে ১০ টাকা, পরে ৫০ টাকা দিতে চান। কিন্তু বাপ্পি দাবি করেন ২০০ টাকা, কারণ তিনি দূর থেকে দৌড়ে এসে ট্রেন থামিয়ে সাহায্য করেছিলেন।

শেষ পর্যন্ত যাত্রী ২০০ টাকা দিতে রাজি হলেও, ভাংটি না থাকায় টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ট্রেন ছাড়ার পরও বাপ্পি কিছুদূর দৌড়ে ট্রেনের দরজা পর্যন্ত যান এবং টাকা না পেয়ে আক্ষেপ করে বলেন, “ওই যে ৫০ টাকা দিছে, ওইটাই নিছি। বলছি— আল্লাহ আপনারে বিচার করবো। আমি যদি লেজ হইয়া থাকি, তাহলে আমি পামু স্যার।”

Advertisement

এই ঘটনায় অনেকে দিনমজুর বাপ্পির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং ন্যায্য পারিশ্রমিক না দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন। তবে কিছু যাত্রী বলছেন, রেলওয়ে স্টেশনে কুলিদের নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক নির্ধারিত না থাকায় প্রায়ই এমন বিরোধের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্টেশন এলাকায় কুলিদের একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা অনেক সময় যাত্রীদের মালপত্র জোর করে নিয়ে যায় এবং অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে হয়রানি করে।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন— “পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি ন্যায়বিচারেরও প্রশ্ন।”

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ  

  • সর্বশেষ