শিরোনাম
◈ ভেনেজুয়েলায় ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ১ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা! ◈ নিজ খরচে ১,০০০ মুসলিমকে ওমরাহ করাচ্ছেন সৌদি বাদশাহ ◈ ঢাকার কাছে ভূমিকম্পের উৎস, বড় ঝুঁকির আশঙ্কা কতটুকু? ◈ পর্যটক ও বাসিন্দাদের জন্য ‘সিভিলিটি গাইডবুক’ আনছে দুবাই ◈ লাল কার্ডের পর এবার ৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ কাতারের মিডফিল্ডার ◈ এবার মাজারের অর্থ নিয়ে ডিসি সারওয়ারের কল রেকর্ড ভাইরাল ◈ তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের ফল মিলবে আগামী মাসেই:: শ্রমমন্ত্রী ◈ উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’ : ঢাকা ◈ টেস্ট খেল‌তে জিম্বাবুয়ে গে‌লো বাংলা‌দেশ ক্রিকেট দল  ◈ কুরআনের আয়াত নিয়ে ‘ঠাট্টা-বিদ্রুপসহ ভুল ব্যাখ্যার অভিযোগ: সংসদে মুখোমুখি সরকারি ও বিরোধীদল

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:১১ বিকাল
আপডেট : ২৩ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঐতিহ্যবাহী কাঁসা-পিতল শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে, কারিগররা পেশা বদলে জীবিকা নির্বাহে বাধ্য

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট প্রতিনিধি: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সুন্দরবনের উপকূলে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কাঁসা-পিতল শিল্প আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় দেশের ঘরে ঘরে নিত্যপ্রয়োজনীয় হিসেবে ব্যবহৃত এসব সামগ্রী এখন আর তেমন দেখা যায় না। ফলে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত কারিগর ও ব্যবসায়ীরা জীবিকার তাগিদে পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

একসময় এ অঞ্চলের কাঁসা-পিতলের সামগ্রী শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও ব্যাপক চাহিদা ছিল। বিদেশি পর্যটকেরাও কারুকাজ খচিত প্রতিমা ও শোপিস কিনে নিয়ে যেতেন। কিন্তু বর্তমানে প্লাস্টিক, লোহা ও স্টিলের তৈজসপত্রের দাপটে কাঁসা-পিতলের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। স্বাধীনতার আগে যেখানে ৩০-৪০টি কারখানা ছিল, এখন তা কমে মাত্র ৪-৫টিতে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান জানান, স্বাধীনতার পর এ ব্যবসা বেশ জমজমাট ছিল। এখন কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের বিয়েতে উপহার হিসেবে কিছু জিনিস কেনা হয়। অন্য সময় বিক্রি প্রায় নেই বললেই চলে।

কারিগর নিমাই পাল বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা উপার্জন করা গেলেও বাইরের কাজ করলে আয় বেশি হয়। এজন্য অনেকে এই পেশা ছেড়ে দিয়েছেন।

শিল্পকর্ম ব্যবসায়ী অরুণ বণিক জানান, একটি নকশা করা থালা বিক্রি হয় ২-২.৫ হাজার টাকায়, কিন্তু লাভ থাকে মাত্র ২০০-৩০০ টাকা। কাঁচামালের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ না নিলে এ শিল্প শিগগিরই হারিয়ে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়