শিরোনাম
◈ প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলা নিয়ে কথা বলায় জামায়াত নেতার উপর ক্ষেপলেন চিকিৎসক (ভিডিও) ◈ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা: নারী কোটা বাতিল ◈ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক: গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি, জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের পক্ষে এনসিপি ◈ নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে, বিএনপিকে আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার ◈ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন, স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ দেশের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে, অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব: তারেক রহমান ◈ মালয়েশিয়ায় জাল ই-ভিসা সিন্ডিকেটে জড়িত অভিযোগে বাংলাদেশি নারী আটক ◈ বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল ◈ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার পর রাজনীতি উত্তাপ: অনেক প্রশ্ন, উত্তর নেই ◈ আগস্টে রেমিটেন্স এলো ২২২ কোটি ৯০ লাখ ডলার

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০৮:০৮ রাত
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় জাল ই-ভিসা সিন্ডিকেটে জড়িত অভিযোগে বাংলাদেশি নারী আটক

মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের জন্য জাল ইলেকট্রনিক ভিসা (ই-ভিসা) সেবা প্রদানকারী একটি ভুয়া ওয়েবসাইটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে এক বাংলাদেশি নারীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

রবিবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাহাবান জানান, "কি মালয়েশিয়া" নামে পরিচালিত ওই ওয়েবসাইট সিন্ডিকেট ২০২২ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে এবং ইতোমধ্যে ৫২,৬৭২টি আবেদন প্রক্রিয়া করেছে। এ সময় তারা কোটি কোটি রিঙ্গিত হাতিয়ে নেয়।

অভিযানকালে ৩২ বছর বয়সী বাংলাদেশি নারীকে আটক করা হয়, যিনি সামাজিক ভিজিট পাসে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন। রেকর্ডে দেখা গেছে, তিনি গত তিন বছরে একাধিকবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন। তার মালয়েশিয়ান স্বামীকেও তদন্তে সহযোগিতার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, ভুয়া ওয়েবসাইটটি সরকারি ই-ভিসা পোর্টালের আদলে তৈরি করা হয়েছিল। আবেদনকারীদের দুই ধরনের ভিসার প্রস্তাব দেওয়া হতো—সাধারণ ভিসা, যা তিন থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা হতো, এবং জরুরি ভিসা, যার অনুমোদন দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো। তবে অর্থ পরিশোধের পর বেশিরভাগ আবেদন বাতিল দেখানো হতো এবং ব্যাখ্যা চাইলে লাইভ চ্যাটে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হতো।

আটক বাংলাদেশি নারীকে ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশনসের ৩৯(বি) ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে এবং বর্তমানে তাকে পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন সদর দপ্তরে আটকে রাখা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক আরও বলেন, এ ধরনের প্রতারণা শুধু জনগণের আস্থা নষ্ট করছে না, বরং বিভাগটির ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ণ করছে। তিনি সতর্ক করে জানান, জাতীয় নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় ইমিগ্রেশন বিভাগ ভবিষ্যতেও কঠোর আইন প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়