শিরোনাম
◈ ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার ২৭২ জন ◈ এলন মাস্কের টেসলাকে চ্যালেঞ্জ, রোডস্টারের ওপর দিয়ে উড়ল আলেফের উড়ন্ত গাড়ি! ◈ অনুমতি ছাড়াই অন্যের ওয়ালেট থেকে পরীক্ষামূলক ইথেরিয়াম খরচ করল ওপেনএআইয়ের গবেষণা মডেল ◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার ◈ আ‌লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ম‌্যান‌চেস্টার সিটির জয় ◈ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর ◈ কুমিল্লায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন : পুলিশ সুপার ◈ দেশ গঠনে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭, ১৩ নারী ও ১ শিশু

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০৮:০৮ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় জাল ই-ভিসা সিন্ডিকেটে জড়িত অভিযোগে বাংলাদেশি নারী আটক

মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের জন্য জাল ইলেকট্রনিক ভিসা (ই-ভিসা) সেবা প্রদানকারী একটি ভুয়া ওয়েবসাইটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে এক বাংলাদেশি নারীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

রবিবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাহাবান জানান, "কি মালয়েশিয়া" নামে পরিচালিত ওই ওয়েবসাইট সিন্ডিকেট ২০২২ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে এবং ইতোমধ্যে ৫২,৬৭২টি আবেদন প্রক্রিয়া করেছে। এ সময় তারা কোটি কোটি রিঙ্গিত হাতিয়ে নেয়।

অভিযানকালে ৩২ বছর বয়সী বাংলাদেশি নারীকে আটক করা হয়, যিনি সামাজিক ভিজিট পাসে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন। রেকর্ডে দেখা গেছে, তিনি গত তিন বছরে একাধিকবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন। তার মালয়েশিয়ান স্বামীকেও তদন্তে সহযোগিতার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, ভুয়া ওয়েবসাইটটি সরকারি ই-ভিসা পোর্টালের আদলে তৈরি করা হয়েছিল। আবেদনকারীদের দুই ধরনের ভিসার প্রস্তাব দেওয়া হতো—সাধারণ ভিসা, যা তিন থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা হতো, এবং জরুরি ভিসা, যার অনুমোদন দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো। তবে অর্থ পরিশোধের পর বেশিরভাগ আবেদন বাতিল দেখানো হতো এবং ব্যাখ্যা চাইলে লাইভ চ্যাটে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হতো।

আটক বাংলাদেশি নারীকে ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশনসের ৩৯(বি) ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে এবং বর্তমানে তাকে পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন সদর দপ্তরে আটকে রাখা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক আরও বলেন, এ ধরনের প্রতারণা শুধু জনগণের আস্থা নষ্ট করছে না, বরং বিভাগটির ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ণ করছে। তিনি সতর্ক করে জানান, জাতীয় নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় ইমিগ্রেশন বিভাগ ভবিষ্যতেও কঠোর আইন প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে।

  • সর্বশেষ