শিরোনাম
◈ হুতিরা কারা, কেন সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের লড়াই? ◈ টেস্ট ক্রিকে‌টে পেস বো‌লিং‌য়ে হাসান মাহমুদের নতুন অধ‌্যা‌য়ের সূচনা ◈ নেপালে আবারও আকস্মিক বন্যায় ৩৫ বাড়িঘর-সেতু বিধ্বস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র: নিরাপদে সরছেন বাসিন্দারা ◈ সৌদি আরবে হুতি হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, আইসিইউতে ৪ জন; মরদেহ আনা হবে রাষ্ট্রীয় খরচে ◈ জেদ্দা বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক, ঢাকাগামী বিমানের যাত্রীদের বোর্ডিং শুরু ◈ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুল হায়দারের মরদেহ ভারত থেকে হস্তান্তর ◈ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ: শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের আটক নয়, স্বাভাবিক রাখতে হবে মেট্রো-রেল ও ইন্টারনেট পরিষেবা ◈ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনে নতুন পরিপত্র জারি, ৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি ঘোষণা ◈ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি, ইতিহাস গড়লেন বাংলা‌দে‌শের সোবহানা ◈ হুথিদের হামলায় বিপর্যস্ত রিয়াদ বিমানবন্দর, ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ৫ ফ্লাইট বাতিল

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০৫:৫৬ বিকাল
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ নার্সিং কলেজ

শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনে একাডেমিক- প্রসাশনিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ

এ এইচ সবুজ, গাজীপুর: গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ নার্সিং কলেজের তিন ইন্সট্রাক্টরকে বদলির দাবিতে টানা ১৮ দিন ধরে লাগাতার কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন ওই নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

রবিবার (৩১আগস্ট) সকালে কলেজের সামনে ওই তিন শিক্ষকের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা অবিলম্বে তাদেরকে (ইন্সট্রাক্টর) অন্যত্র বদলির দাবি জানান।

জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট থেকে বিভিন্ন দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কমপ্লিট শাটডাউনের ডাক দেন শিক্ষার্থীরা। এতে ১৮ দিন ধরে কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজের ইন্সট্রাক্টর মো.জামাল উদ্দিন ভূইয়া, মো. তাজুল ইসলাম ও মো. মোখলেছুর রহমানের বদলির দাবি সাত কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন না হওয়ায় এবং অধ্যক্ষ কর্তৃক ক্লাস রুটিন প্রকাশ করায় শিক্ষার্থীরা কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করেন।

Advertisement

শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজের সব শিক্ষার্থীরা 'যোগ্য ব্যক্তিকে' অধ্যক্ষ পদে পদায়নের দাবিতে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্দোলন করেন। পরে অধ্যক্ষ পদে উম্মে সালমা খানমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই আন্দোলনে নার্সিং কলেজের তিনজন শিক্ষক সরাসরি বিরোধিতা করেন। 

এছাড়াও আন্দোলন চলাকালীন তারা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে সরাসরি হুমকি প্রদান করেন এবং নারী শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে হেনস্তা ও মানহানি করেন। পরবর্তীতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষ বরাবর দরখাস্ত দিয়ে তাদের পাঠদান বর্জনসহ শিক্ষার্থী বিষয়ক সব কার্যক্রম থেকে বয়কট করেন। তারপরও ওই তিন শিক্ষক বিভিন্নভাবে কলেজের পাঠদান করায় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

এ ঘটনায় গত ২ আগস্ট সকল শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষের মাধ্যমে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দেন।

কলেজের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান চয়ন বলেন, অভিযুক্ত তিন ইন্সট্রাক্টরের বদলির বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

কলেজের অধ্যক্ষ উম্মে সালমা খানম বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি অধিদপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি। আশা করছি খুব শিগগিরই এই জটিলতার অবসান ঘটবে।

  • সর্বশেষ