শিরোনাম
◈ সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: নিহতদের প্রতি পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেবে বিএসবিআরএ ◈ দিল্লি হাইকোর্ট-বিমানবন্দরসহ সরকারি দপ্তরে বোমা হামলার হুমকি ◈ জুমার আজান শোনা যায়নি কলকাতার বহু মসজিদে, আতঙ্কে মুসলিমরা   ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে করা টেস্ট সেঞ্চু‌রি বাবা-মাকে উৎসর্গ কর‌লেন তান‌জিদ হাসান তামিম  ◈ মোহাম্মদপুরে কোনো ‘কিশোর গ্যাং’ সক্রিয় নেই, দাবি র‌্যাবের ◈ মির্জা ফখরুল থেকে মান্নান ভূঁইয়া : বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন যারা ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুই বিদেশি জাহাজের সংঘর্ষ ◈ সরকারের ৬ মাসে মোটামুটি সব লক্ষ্যই পূরণ হয়েছে: রিজভী ◈ লাইসেন্স ছাড়া ঢাকায় রিকশা নয়, আসছে অঞ্চলভিত্তিক চলাচল ব্যবস্থা ◈ সিটি থেকে পৌরসভা, চলতি অর্থবছরেই ৫ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মীর শাহে আলম

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৩০ বিকাল
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোহাম্মদপুরে কোনো ‘কিশোর গ্যাং’ সক্রিয় নেই, দাবি র‌্যাবের

রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে গডফাদার ও সন্ত্রাসী তৎপরতামুক্ত করতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বাহিনীটির দাবি, অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংগুলোকে নির্মূল করা হয়েছে। বর্তমানে মোহাম্মদপুরে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কাওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নয়মুল হাসান বলেন, আমরা গডফাদারদের গ্রেপ্তার করছি। আমরা খুব বেশি নিচের সারির সদস্য বা ছোটখাটো গ্রুপগুলোর দিকে হাত দিচ্ছি না। গডফাদারদের গ্রেপ্তার করার ফলে মোহাম্মদপুর আগের তুলনায় অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে।

তিনি বলেন, আশা করি, অদূর ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর আরও নিরাপদ ও বসবাসের উপযোগী হবে। সবাই নিরাপদে মোহাম্মদপুরে বসবাস করতে পারবেন। মোহাম্মদপুরকে ‘সিটি অব গডস’ হিসেবে যে হাইপ তৈরি করা হয়েছে, সেটি মূলত একটি ধারণা। আমরা মোহাম্মদপুরকে সেই ধারণা থেকে বের করার চেষ্টা করছি। এরই মধ্যে অনেকটা সফল হয়েছি। নিকট ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর থেকে গ্যাং ও সন্ত্রাসী তৎপরতা পুরোপুরি নির্মূল করতে পারব বলে আশা করি।

অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, মোহাম্মদপুরকে বখাটে ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে যে অভিযান চলছে, একইভাবে পুরো সিটিকেই নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অ্যালেক্স ইমনকে হত্যায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা মূলত তদন্তে সহায়তা করার জন্য গ্রেপ্তারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছি। গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা যখন আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন, তখন হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। যেহেতু আমরা সরাসরি তদন্ত করছি না, এ বিষয়ে থানা পুলিশই ভালো তথ্য দিতে পারবে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়