প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দ্বিশতক করতে না পারায় ব্যথিত নন, ফখর জামানকে বেশি পোড়াচ্ছে দলের পরাজয়

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] ১২০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে পড়েছে। ক্রিজে থাকা ফখর জামান তখনও হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছাননি। ব্যক্তিগত ৫০ এ পৌঁছে আকাশে উড়তে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকাকে মাটিতে নামিয়ে আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা শুরু এই ব্যাটসম্যানের।

[৩] ম্যাচের ৩৯ ওভারের পর যেন আরও রুপ বদলে ফেলেন ফখর। তাব্রাইজ শামসি, লুঙ্গি এনগিদিদের বেধড়ক পিটিয়ে মুহূর্তেই ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন ফখর। তুলে নেন ব্যক্তিগত ১০০, এরপর ১৫০। কিন্তু সঙ্গীরা দ্রুত আসা-যাওয়ায় ব্যস্ত থাকলে চাপ বাড়তে থাকে এই ব্যাটসম্যানের ওপর।

[৪] তারপরও যেন হাল না ছেঁড়ে দলকে সিরিজ জেতানোর লক্ষ্যেই লড়াই করতে থাকেন তিনি। সুযোগ তৈরি হয় ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় দ্বিশতক তুলে নেয়ার। শেষ ৩ ওভারে পাকিস্তানের জয়ের প্রয়োজন ছিল প্রায় ৫০ রানের। দলকে সে সময়ও জয়ের বন্দরে নিতে লড়াই করতে থাকেন এই ওপেনার।

[৫] ৮ উইকেট হারিয়ে বসলে পাকিস্তানের শেষ ওভারে প্রয়োজন ৩১ রান। ১৯২ রানে ক্রিজে থাকা ফখর এনগিডির প্রথম বল লং অফে পাঠিয়ে দুইয়ের জন্য দৌড় দিলে এই ব্যাটসম্যানকে ফেক ফিল্ডিং’ দিয়ে বোকা বানিয়ে রান আউট করেন ডি কক। এইডেন মার্করামের সরাসরি থ্রো এসে আঘাত করে স্টাম্পে।

[৬] ভেঙে যায় পাকিস্তানের এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয়ের আশা। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি থেকে ৭ রান দূরে থেকে ডাগ আউটে ফেরেন ফখর। অবশ্য ডি ককের এমন কান্ড ক্রিকেট বিশ্বে সমালোচনারও ঝড় তোলে। আইসিসির কোড অফ কন্ডাক্টে কোনো ব্যাটসম্যানকে এভাবে আউট করার নিয়ম নেই।

[৭] ডাবল সেঞ্চুরি মিস করলেও দলকে ম্যাচ না জেতানোর আক্ষেপই বেশি ফখরের। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘আমার ডাবল সেঞ্চুরি মিস হয়েছে তাতে কোনো আক্ষেপ নেই। ম্যাচ হারাতেই বেশি খারাপ লাগছে। যদি জিতে জেতাম তাহলে দারুণ হতো। কিন্তু তা হয়নি। পরিস্থিতি এমন ছিল যে আমি শুধু জয়ের জন্য খেলে যাচ্চিলাম, দ্বিশতক মাথায় ছিল না। কিন্তু দলকে জেতাতে পারিনি।

[৮] ম্যাচের এক পর্যায়ে বেঞ্চে থাকা সরফরাজ আহমেদ এবং অধিনায়ক বাবর আজমের সঙ্গে কথা বলেছিলেন ফখর। তাদের থেকে সবুজ সংকেত পেয়েই সহজাত ব্যাটিং শুরু করেছিলেন। আর বাকি ব্যাটসম্যানদের অনুরোধ করেছিলেন ক্রিজে টিকে থাকার। যদিও শেষ ওভারে ফখর নিজেই বোকার মতো রান আউট হয়ে যান।

[৯] ফখর আরও বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি ভেবেছিলাম ম্যাচটা জিতে যাব। ২৫ ওভারের সময় আমি সরফরাজ ভাইকে ডেকেছিলাম, সে আমার খেলা সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা রাখে। আমি বাবরের সঙ্গেও কথা বলি। জিজ্ঞেস করি আমি কি এখন আমার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারি?

[১০] কারণ শামসি ছোট বাউন্ডারির দিকেই বেশি বল ছাড়ছিল। সে সময় যখন মারতে শুরু করলাম মনে হচ্ছিল পাকিস্তানকে জিতিয়ে দিব। ২০০ রানে যখন ৭ উইকেট পরে গেল বাকিদের বলছিলাম উইকেটে টিকে থাক। আউট হইয়ও না। রান নিয়ে না ভাবতে। উইকেট থাকলে এই রান করতে সমস্যা হবে না। খালি আমাকে আউট করে দিও না, বললেন এই ওপেনার। – ক্রিকফ্রেঞ্জি/ ক্রিকইনফো

 

সর্বাধিক পঠিত