প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২০ হাজার শ্রমিক থেকে পাপুলের আয় ১৪০০ কোটি

নিউজ ডেস্ক : কুয়েতের কারাগারে বন্দি বাংলাদেশি এমপি শহিদ ইসলাম পাপুল তার কোম্পানির মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিককে কুয়েতে নিয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা করে আদায় করেছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে গালফ নিউজ। জাগোনিউজ

গালফ নিউজের খবরে বলা হয়, পাপুলের কোম্পানির মাধ্যমে ২০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক কুয়েতে গেছেন। যার মাধ্যমে পাপুল ৫০ মিলিয়নেরও বেশি কুয়েতি দিনার বা প্রায় এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রত্যেক শ্রমিকের কাছ থেকে ‘রেসিডেন্সি পারমিট’ এর জন্য দুই হাজার কুয়েতি দিনার বা সাড়ে পাঁচ লাখরও বেশি টাকা নিতেন পাপুল।

খবরে আরও বলা হয়, ভুয়া বা অবৈধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কুয়েত যাওয়া হতভাগ্য এসব শ্রমিক ভাবতেন কুয়েতে তাদের জন্য চাকরি অপেক্ষা করছে। কিন্তু কুয়েত পৌঁছে তারা চাকরি বা থাকার জায়গা কোনোটাই পেতেন না।

এদিকে ২০২০ সালের মধ্যে এক লাখ শ্রমিককে কুয়েত ছাড়তে হবে বলে সরকারি তদন্তকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে। তারা অসংখ্য ভুয়া কোম্পানি ও অবৈধ ওয়ার্ক পারমিটের সন্ধান পেয়েছে বলে জানিয়েছে।

কুয়েতি পত্রিকা আল কাবাস জানায়, গত চার মাসে ৪৫০টি কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হয়েছে এবং ৩০০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব ভুয়া কোম্পানিতে এক লাখ শ্রমিকের নাম নিবন্ধিত রয়েছে। যদিও তারা প্রকৃতপক্ষে সেসব প্রতিষ্ঠানে কাজই করেন না।

উল্লেখ্য, অর্থ ও মানবপাচার এবং ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে গত ৬ জুন রাতে কুয়েতের মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে পাপুলকে গ্রেফতার করে দেশটির অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পাপুল ও তার কুয়েতি প্রতিষ্ঠান ‘মারাফি কুয়েতিয়া’র অ্যাকাউন্টে ৫০ লাখ কুয়েতি দিনার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৭ কোটি ৮৮ লাখ ৮৩ টাকা) জব্দ করা হয়। গ্রেফতারের পর পাপুলের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন কুয়েতের এক আদালত।

এদিকে সম্প্রতি অভিবাসীদের সংখ্যা কমিয়ে আনতে একটি প্রবাসী কোটা বিল প্রণয়ন করেছে কুয়েত সরকার। জানা গেছে, ওই খসড়া আইনে বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য মাত্র তিন শতাংশ কোটা প্রস্তাব করা হয়েছে। কোটা অনুযায়ী কুয়েত সরকার যদি মাত্র তিন শতাংশ বাংলাদেশি অভিবাসীকে জায়গা দেয় তাহলে আড়াই লাখেরও বেশি অভিবাসীকে বাংলাদেশে ফিরে আসতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত