প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এমপি মোস্তাফিজুর রহমানসহ পরিবারের ১১ সদস্যের কোভিড-১৯ পজেটিভ

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : [২] চট্টগ্রাম ১৬ বাঁশখালী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর শরীরে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

[৩] তিনি ছাড়াও তার স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক নাতনি ও এক মেয়ের জামাইসহ পরিবারের সাতজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।এছাড়া এমপির এপিএস (ব্যক্তিগত একান্ত সহকারী) এবং বাসার তিনজন কাজের মেয়েরও করোনা শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রামে প্রথম বারের মত করোনা পজেটিভ হলেন তিনি ।

[৪] সাংসদের ব্যক্তিগত একান্ত সহকারী (এপিএস) একেএম মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এমপির পরিবারের সদস্যরা সবাই চট্টগ্রাম শহরের বাসায় আইসোলেশনে আছেন এবং সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

[৫] এপিএস-এর সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ১ জুন এমপির শহরের বাসা থেকে পরিবারের মোট ১৬ জনের নমুনা নেয়া হয়েছে। ২ জুন বিআইটিআইডির নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে এমপিসহ মোট ১১ জনের করোনা পজেটিভ আসে। কিন্তু খুব সম্প্রতি এমপি নিজে এবং পরিবারের কোনো সদস্য বাসা থেকে তেমন বের হননি। আর সরকার ২৫ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকে গাড়ির চালকদেরও ছুটি দিয়ে রেখেছেন। বাসায় মানুষের যাওয়া-আসাও সীমিত করা হয়েছে। তেমন কোনো মিটিং-সেমিনারেও যোগ দেননি তিনি।

[৫] সর্বশেষ ১৪ মে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সের সভায় যোগ দেন। এর আগে এপ্রিলের শেষ দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের একটি সভায় যোগ দিয়েছিলেন। এছাড়া নিজের এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন, তবে তা ১৪ এপ্রিলের আগ পর্যন্ত। সবমিলিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সবধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেই ছিলেন তিনি। এরপরও কিভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন তা নিয়ে নানা প্রশ্ন তাদের মাঝে । ঈদের আগে বাঁশখালীতে এলেও লোকজনের ভিড় হওয়ার শঙ্কায় পুনরায় শহরে ফিরে যান এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। শহরেই ঈদ করেছেন। ঈদের সময় বাসায় বেশ কিছু সংখ্যক অতিথি এসেছিলেন। যদিও অতিথিদের সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই কথা বলেছিলেন সাংসদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।

[৬] এছাড়া ঈদের পরদিন সাংসদের স্ত্রীর ছোট বোন (শালী) তাঁর ছেলেকে নিয়ে সাংসদের শহরের বাসায় আসেন। এর দুদিন আগে শালীর শরীরে জ্বর আসে বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়। সেখান থেকে কোনো সংক্রমন হয়েছে কিনা ধারণা করছেন এমপির পরিবারের সদস্যরা। সাংসদের এপিএস একেএম মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল-বলেন, আল্লাহর রহমতে স্যার (সাংসদ) ভালো আছেন। পরিবারের সবাই ভালো আছেন। আমরাও ভালো আছি। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন মহোদয় খোঁজ-খবর রাখছেন।

[৭] পরিবারের সবাই সিভিল সার্জনের পরামর্শ মেনে চলছেন। প্রয়োজনে যাতে ব্যবহার করা যায়, বাসায় অক্সিজেন সিলিন্ডার এনে রাখা হয়েছে। স্যার (সাংসদ) সবার কাছ থেকে দোয়া চেয়েছেন বলেও জানান এপিএস একেএম মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বাধিক পঠিত