শিরোনাম
◈ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যের শপথ নিয়ে বিতর্ক ◈ বাংলা‌দে‌শের মুস্তাফিজ এই মুহুর্তে সেরা ডেথ ওভার স্পেশালিস্টদের একজন: সামিন রানা ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার কাছে ভার‌তের পরাজ‌য়ে বিতর্কিত বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিলো সম্প্রচারকারী স্টার স্পোর্টস  ◈ ৭ মাসে এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ◈ ৫ আগস্টের পর ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে হওয়া মামলা যাচাইয়ের নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে হাসিনা–কামালের সাজা বাড়ানোর আপিল শুনানি আজ ◈ রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা ◈ সিটি করপোরেশন আগে, ধাপে ধাপে ইউপি— আসছে নির্বাচনের রোডম্যাপ ◈ গুলশানে নিজের ফ্ল্যাটে উঠছেন ড. ইউনূস ◈ হালিশহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ পরিবারের ৯ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনার দিনে অণুভাবনা

এম আমির হোসেন : শেষ যুদ্ধটা কিন্তু ডাক্তারদেরই লড়তে হয়। মানুষ মারার যুদ্ধ নয়, এ যুদ্ধ মানুষকে বাঁচানোর যুদ্ধ। রক্ত ঝরানোর যুদ্ধ নয়, রক্তপাত বন্ধ করার যুদ্ধ। হাসপাতালগুলো হলো তাদের যুদ্ধক্ষেত্র। তোমরা মানুষ-মারা আর রক্তারক্তির যুদ্ধ নিয়ে মেতে থাকো, যোদ্ধাদের অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করে রাখো, মাথায় তুলে নাচ। এটা দাও, ওটা দাও। নানা ভাবে তুষ্ট করে রাখো। ডাক্তারদের কী দাও? সেলফ প্রটেকশনের জিনিসই আজ অপ্রতুল। যা দেওয়ার কথা ছিলো সেখানেও লুটপাট। চিকিৎসার ব্যবস্থাও অপর্যাপ্ত। হাসপাতালগুলোর জন্য বাজেটের কতো শতাংশ খরচা করো? তোমাদের খরচা কোন খাতে বেশি? মানুষ মারার খাতে নাকি মানুষ বাঁচানোর খাতে? কোন মুখে আজ তোমরা জীবন চাচ্ছো? আজ কেন বাঁচতে চাচ্ছো? লুটপাটের অবৈধ টাকা দিয়ে এক মিনিট জীবনও কি বেশি কেনা যায়? স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বাড়াতে তোমাদের কষ্ট লাগে। ডাক্তারগুলো নাকি কসাই, তাদের মেরুদ-হীন করে রেখে উল্লসিত থাকো। অবহেলা করে, পদে পদে বঞ্চিত করে, নিষ্পেষিত করে যেই মনস্তত্ত্ব জীবনযোদ্ধা ডাক্তারদের মাঝে গড়ে তুলেছো সেই মন নিয়ে আজ তারা মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে কী করে বাঁচাবে তোমাদের জীবন? কী করে? এটা অসত্য নয় যে, একটি যূথবদ্ধ সমাজে সব পেশারই প্রয়োজন আছে। নানাবিধ কর্মযজ্ঞে একটি সমাজ সম্মুখে এগিয়ে চলে।
বৈচিত্র্যেই সৌন্দর্য, বৈচিত্র্যই বাস্তবতা। বৈচিত্র্যময় না হয়ে সমাজ যদি বিভেদময় হয়, এর চালক পেশাজীবীরা যদি নিজেরা নিজেরা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে, যদি নিজেদের মধ্যে জাতভেদ-শ্রেণিভেদ থাকে তবে গতি হ্রাস পাবে, দুর্ঘটনায়ও পতিত হতে পারে। সমাজের নেতারা যদি স্বার্থান্বেষী ও বহুধাবিভক্ত হয়ে পড়ে তবে সে সমাজের জন্য তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের বুঝতে হবে, মানুষের আসল শত্রু মানুষ নয়, আসল শত্রু হলো রোগ-জীবাণু, দারিদ্র্য, ক্ষুধা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি। এগুলো জয় করার জন্য জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে সর্বাধিক। সর্বোচ্চ পেট্রোনাইজ করতে হবে এই খাতগুলো। তোমরা করছো বরং এর উল্টোটা। সভ্যতার পাপের বোঝা অনেক ভারি হয়ে গেছে। এই বোঝা বইবার শক্তি নেই আর। করোনার ধাক্কায় যদি কিছুটা হালকা হয়Ñ এই আশাবাদ। শেষতক মানুষের জয় হবেই। করোনা পরাজিত হবে। মানুষের সব প্রতিপক্ষই ধীরে ধীরে পরাজিত হবে। এই জয়-প্রক্রিয়ায় গতি আনতে হলে মানুষকে হতে হবে দূরদর্শী, বিজ্ঞানমনস্ক, প্রেমময় ‘পরিপূর্ণ মানুষ’। এটাই সর্বোত্তম পন্থা। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়