শিরোনাম
◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’ ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে ত্রিবেদীর দৌড়ঝাঁপ ◈ চসিক মেয়রের হস্তক্ষেপে গ্রেফতার এড়ালেন শীর্ষ সন্ত্রাসী বগা, পুলিশের অভিযান ব্যর্থ ◈ ৭৫ কোটি টাকায় বদলে যাবে ধানমন্ডি লেক, হবে ‘নজরুল সরোবর’ ◈ ৩০ গ্রামের ৫ লাখ নারী বদলে দিচ্ছেন গ্রামীণ অর্থনীতি, বছরে আসে ৫০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ◈ তালাকের আগেই দেনমোহর চাইতে পারবেন স্ত্রী: হাইকোর্ট ◈ ৫ বছরে ১ কোটি কর্মী পাঠাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, নতুন ভিসা সুবিধা চালু করল সৌদি আরব

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনার দিনে অণুভাবনা

এম আমির হোসেন : শেষ যুদ্ধটা কিন্তু ডাক্তারদেরই লড়তে হয়। মানুষ মারার যুদ্ধ নয়, এ যুদ্ধ মানুষকে বাঁচানোর যুদ্ধ। রক্ত ঝরানোর যুদ্ধ নয়, রক্তপাত বন্ধ করার যুদ্ধ। হাসপাতালগুলো হলো তাদের যুদ্ধক্ষেত্র। তোমরা মানুষ-মারা আর রক্তারক্তির যুদ্ধ নিয়ে মেতে থাকো, যোদ্ধাদের অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করে রাখো, মাথায় তুলে নাচ। এটা দাও, ওটা দাও। নানা ভাবে তুষ্ট করে রাখো। ডাক্তারদের কী দাও? সেলফ প্রটেকশনের জিনিসই আজ অপ্রতুল। যা দেওয়ার কথা ছিলো সেখানেও লুটপাট। চিকিৎসার ব্যবস্থাও অপর্যাপ্ত। হাসপাতালগুলোর জন্য বাজেটের কতো শতাংশ খরচা করো? তোমাদের খরচা কোন খাতে বেশি? মানুষ মারার খাতে নাকি মানুষ বাঁচানোর খাতে? কোন মুখে আজ তোমরা জীবন চাচ্ছো? আজ কেন বাঁচতে চাচ্ছো? লুটপাটের অবৈধ টাকা দিয়ে এক মিনিট জীবনও কি বেশি কেনা যায়? স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বাড়াতে তোমাদের কষ্ট লাগে। ডাক্তারগুলো নাকি কসাই, তাদের মেরুদ-হীন করে রেখে উল্লসিত থাকো। অবহেলা করে, পদে পদে বঞ্চিত করে, নিষ্পেষিত করে যেই মনস্তত্ত্ব জীবনযোদ্ধা ডাক্তারদের মাঝে গড়ে তুলেছো সেই মন নিয়ে আজ তারা মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে কী করে বাঁচাবে তোমাদের জীবন? কী করে? এটা অসত্য নয় যে, একটি যূথবদ্ধ সমাজে সব পেশারই প্রয়োজন আছে। নানাবিধ কর্মযজ্ঞে একটি সমাজ সম্মুখে এগিয়ে চলে।
বৈচিত্র্যেই সৌন্দর্য, বৈচিত্র্যই বাস্তবতা। বৈচিত্র্যময় না হয়ে সমাজ যদি বিভেদময় হয়, এর চালক পেশাজীবীরা যদি নিজেরা নিজেরা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে, যদি নিজেদের মধ্যে জাতভেদ-শ্রেণিভেদ থাকে তবে গতি হ্রাস পাবে, দুর্ঘটনায়ও পতিত হতে পারে। সমাজের নেতারা যদি স্বার্থান্বেষী ও বহুধাবিভক্ত হয়ে পড়ে তবে সে সমাজের জন্য তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের বুঝতে হবে, মানুষের আসল শত্রু মানুষ নয়, আসল শত্রু হলো রোগ-জীবাণু, দারিদ্র্য, ক্ষুধা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি। এগুলো জয় করার জন্য জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে সর্বাধিক। সর্বোচ্চ পেট্রোনাইজ করতে হবে এই খাতগুলো। তোমরা করছো বরং এর উল্টোটা। সভ্যতার পাপের বোঝা অনেক ভারি হয়ে গেছে। এই বোঝা বইবার শক্তি নেই আর। করোনার ধাক্কায় যদি কিছুটা হালকা হয়Ñ এই আশাবাদ। শেষতক মানুষের জয় হবেই। করোনা পরাজিত হবে। মানুষের সব প্রতিপক্ষই ধীরে ধীরে পরাজিত হবে। এই জয়-প্রক্রিয়ায় গতি আনতে হলে মানুষকে হতে হবে দূরদর্শী, বিজ্ঞানমনস্ক, প্রেমময় ‘পরিপূর্ণ মানুষ’। এটাই সর্বোত্তম পন্থা। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ