স্পোর্টস ডেস্ক : ২০২৭ সালের ওয়ানডে্ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাচকের দায়িত্বে থাকবেন অজিত আগরকর? নাকি চাকরি যাবে তাঁর? এই নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় মুম্বইয়ে বিসিসিআই-এর বার্ষিক সাধারণ সভার পরে সচিব দেবজিৎ সইকিয়া জানিয়েছিলেন এখনও ১৫ দিন মেয়াদ বাকি।
তবে এই বিষয়ে জল্পনার অবসান ঘটালেন আগরকর নিজেই। বর্তমান মেয়াদ শেষ হলে আর প্রধান নির্বাচকের পদে থাকতে চান না, তা একটি চিঠিতে বিসিসিআইকে জানিয়ে দিয়েছেন অজিত আগরকর, এমনটাই প্রকাশ একাধিক রিপোর্টে। তবে এই নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি বিসিসিআই এর তরফে।
প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান আগরকর
অক্টোবর মেয়াদ শেষ হচ্ছে অজিত আগরকরের। এমন পরস্থিতিতে বৃহস্পতিবার কে নিজের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি, এমনটাই জানা গিয়েছে রিপোর্টে। Hindustan Times-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতেই বোর্ডের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সময়ে আগরকর তাঁর মেয়াদ শেষ হলে বিকল্প খোঁজার কথা জানিয়েছিলেন। তবে আগরকর আরও এক বছর মেয়াদ বাড়ানোর যোগ্য ছিলেন। বৃহস্পতিবার বোর্ডের এজিএম এর আগেই তিনি বিসিসিআই-কে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে, একাধিক রিপোর্টে। তবে এই রিভিউ মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন না আগরকর।
তিন বছরে একাধিক বড় সিদ্ধান্ত
২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন অগারকর। তাঁর মেয়াদে ভারতীয় ক্রিকেটে একাধিক বড় পরিবর্তন হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেট থেকে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির সরে যাওয়া, শুবমান গিলের নেতৃত্ব পাওয়া, সূর্যকুমার যাদবকে সরিয়ে শ্রেয়স আইয়ারকে ক্যাপ্টেন করা এগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর পাশাপাশি ভারত ২০২৩ সালের ওডিআই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল। ২০২৪ ও ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫-এ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল।
কে হবেন প্রধান নির্বাচক?
আগরকরের জায়গায় বিসিসিআই এর প্রধান নির্বাচক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার পার্থিব প্যাটেল ও প্রজ্ঞান ওঝা। বিএর নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচক কমিটির সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলা সদস্যই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। পার্থিব ২৫টি টেস্ট খেলেছেন, ওঝা খেলেছেন ২৪টি। তাই পার্থিব কিছুটা এগিয়ে। তবে আলোচনায় উঠে আসছে জ়াহির খানের নামও।